কলকাতা: সত্তর বছরের আশেপাশের তিন মেয়ে পাহাড়ের ওপর উঠে নিজেরা তাঁবু খাঁটিয়ে থাকবে। তাও কি হয়! হওয়ানোর জন্য রীতিমতো আনুষ্ঠানিক চিঠি-চাপাটি নিয়ে যাচ্ছেন ওরা। তবু অনুমতি মেলা মুশকিল। কিন্তু ভারী জেদ ওদের। সেই পঞ্চাশ বছর আগে জীবনের প্রথম পর্বতাভিযানে এমনটাই করেছিলেন কি না।

আরও পড়ুন: নিয়ম ভাঙার ৫০ বছর, সেই সব দিন ফিরে পেতে ফের অভিযানে দীপালি সিংহ

রন্টি শৃঙ্গে সে ছিল সত্যিকারের অভিযান। কিন্তু ‘সাদামাটা’ চন্দ্রতালকে কি আর ‘অভিযান’ বলা যায়। তাই দীপালি-স্বপ্না-বেণু একে বলছেন ‘ফিরে দেখা জার্নি’। ১৯৬৭ সালে পূর্ব ভারতের প্রথম মহিলা দলের পর্বতাভিযানে দলনেত্রী ছিলেন দীপালি সিংহ। গোটা দলের মধ্যে রন্টি শৃঙ্গ আরোহণ করেছিলেন স্বপ্না চৌধুরী। সেই অভিযানের ৫০ বছর উদযাপনের চন্দ্রতাল যাত্রায় এবার দীপালি-স্বপ্নার সঙ্গে থাকছেন বেণু বন্দ্যোপাধ্যায়।

শুক্রবার সন্ধ্যায় ট্রেন। যাবেন চণ্ডীগড়। সেখান থেকে মানালি। মানালিতে দিন দেড়েক থেকে রওনা চন্দ্রতালের উদ্দেশে। তার আগে যাবেন বাতাল। সেখানে রয়েছে সুজয়া গুহর স্মৃতিফলক। ১৯৬৭-র সেই অভিযানে দীপালিদের সঙ্গী ছিলেন সুজয়া। ১৯৭১ সালের আরেকটি অভিযানে বাতালে মৃত্যু হয় তাঁর।

চন্দ্রতালের পর কুনজুম লা হয়ে ফেরার পথ। আগস্টের শুরুতেই চণ্ডীগড় থেকে ধরবেন কলকাতার ট্রেন।

দীপালিদের সঙ্গে থাকছেন তিন চিত্রগ্রাহক তরুণীও। পূজা, মীরা, পৌলমী। ‘ফিরে দেখা জার্নি’র খুঁটিনাটি ক্যামেরায় তুলে রাখছেন, রাখবেন ওরা। অর্ধেক আকাশের পাহাড় থুড়ি ইতিহাস ছোঁয়ার জার্নি নথিবদ্ধ রাখার এই প্রয়াসও বেশ নতুনরকমই বটে!

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here