ডোপ কেলেঙ্কারির খাতায় এ বার নাম উঠে এল ধরমবীর সিংহের। হরিয়ানার স্প্রিন্টার ধরমবীরের মূত্রের প্রথম নমুনায় নিষিদ্ধ ড্রাগ পাওয়া গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। দু’-এক দিনের মধ্যেই হবে দ্বিতীয় পরীক্ষা। সেই পরীক্ষাতেও পাশ না করতে পারলে রিও অলিম্পিক তো দূরস্থান, তাঁকে বড়ো রকমের সাজার মুখে পড়তে হতে পারে। তবে তিনি রিও যেতে পারলে, তিনিই হবেন ৩৬ বছর পরে অলিম্পিকে প্রথম ভারতীয় পুরুষ স্প্রিন্টার। ধরমবীরের লড়ার কথা ২০০ মিটার বিভাগে।  

মঙ্গলবার রাতে যখন ধরমবীরকে রিও-র বিমানে উঠতে মানা করা হয়, তখনই খবর ছড়িয়ে পড়ে যে ডোপের প্রাথমিক পরীক্ষায় তিনি পাশ করতে পারেননি। ১১ জুলাই বেঙ্গালুরুতে ভারতীয় গ্রাঁ প্রি মিট অনুষ্ঠিত হয়। সেই মিট থেকেই ধরমবীরের প্রথম নমুনা সংগ্রহ করে জাতীয় ডোপ-বিরোধী এজেন্সি (নাডা)। তাতেই নাকি নিষিদ্ধ ওষুধ পাওয়া গিয়েছে। তবে সরকারি ভাবে নাডা বা ভারতীয় অলিম্পিক সংস্থার তরফ থেকে সরকারি ভাবে কিছু জানানো হয়নি।

ধরমবীরের জন্য তাড়াহুড়ো করে মিট আয়োজন করার ব্যাপারস্যাপার দেখে সন্দেহ আরও ঘোরালো হয়। একেবারে কাটঅফ সময়ের শেষ দিনে (১১ জুলাই) তাঁর জন্য মিট আয়োজন করা হয়। তাঁর পারফরম্যান্স দেখেও অনেকে চমকে যান। ২০০ মিটারে অলিম্পিকের যোগ্যতামান যেখানে ২০.৫০ সেকেন্ড সেখানে ধরমবীর সময় করেন ২০.৪৫ সেকেন্ড। মজার কথা হল, ধরমবীর এক দিনও জাতীয় শিবিরে প্র্যাকটিস করেননি। রোহতকে নিজের ব্যক্তিগত কোচের কাছেই প্র্যাকটিস চালিয়ে গিয়েছেন।

ধরমবীরকে ঘিরে ডোপ-বিতর্ক নতুন নয়। ২০১২-এর জাতীয় আন্তঃরাজ্য চ্যাম্পিয়নশিপে ১০০ মিটারে সোনা জেতার পরে বাধ্যতামূলক ডোপ পরীক্ষায় তিনি যোগ দেননি। তাই ১০০ মিটারে সোনা পেলেও তাঁর পদক কেড়ে নেওয়া হয়।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here