কল্যাণী: লিগ জয়ের দৌড়ে সবার আগে রয়েছে তাঁর দল। সঙ্গে রয়েছে টানা আটবার কলকাতা লিগ জয়ের চাপ। লিগ জয়ের অন্য দাবিদারদের খেলার দিকে নজর তো রাখতেই হবে। নজর রেখেওছেন এতদিন। নিজে টিভিতে দেখলেও সহকারী কোচ রঞ্জন চৌধুরীকে মাঠে পাঠিয়েছেন নিয়মিত। কিন্তু শেষ পর্যায়ে এসে আর ঘরে বসে থাকতে পারলেন না। মরশুমের প্রথম ডার্বি গ্যালারিতে বসে দেখতে পৌঁছে গেলেন কল্যাণীতে। প্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলের সঙ্গেই তো তাঁর দলের খেলা বকি। চুপচাপ খেলা দেখলেন। খেলা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে দিলেন এড়িয়ে যাওয়া জবাব। “ভালো খেলা হয়েছে, দুটো দলই ভালো খেলেছে”, এর বেশি কিছু বলতে নারাজ মুম্বইকর কোচ।

অন্যদিকে ম্যাচ শেষে দুই শিবিরে স্বাভাবিক ভাবেই দু’রকম ছবি। হেরে গিয়ে অন্ধকার নেমে এসেছে সাদাকালো শিবিরে। কোচ বিশ্বজিত ভট্টাচার্য তুলোধনা করলেন রেফারিকে। অভিযোগ, মোহনবাগানের দ্বিতীয় গোলের পাস বাড়ানোর আগে লিংডো ফাউল করেছিলেন। পাঠচক্র ম্যাচেও তাঁর দল খারাপ রেফারিং-এর শিকার হয়েছিল, দাবি বিশ্বজিতের।

আরও পড়ুন: ইস্টবেঙ্গলের পর মহামেডান, মোহনবাগানের ডার্বি-গোলের ঠিকানা এখন বঙ্গসন্তান আজহারউদ্দিন

শঙ্করলাল অবশ্য বলছেন, প্রথমার্ধে তেমন গোলের সুযোগ না পেলেও, তাঁর বিশ্বাস ছিল দল জিতবে। বিরতিতে সেভাবেই পেপটক দিয়ে উজ্জীবিত করেছিলেন দলকে। পরপর দুই ডার্বিতে গোল করে দারুণ খুশি আজহারউদ্দিন। গোল দুটি উৎসর্গ করলেন তাঁর পরিবারকে। বললেন এবার লক্ষ্যে, পরের ডার্বি জিতে কলকাতা লিগের খরা কাটানো।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন