বরদলৈ ট্রফির ফাইনালে শেষরক্ষা হল না। এগিয়ে থেকেও হারতে হল ইস্টবেঙ্গলকে। গোলরক্ষক দীপেন্দুর ভুলের বড়ো মাশুল দিতে হল তাদের। সংযোজিত সময়ের একেবারে শেষ মিনিটে গোলশোধ করে যায় নেপালের জাতীয় লিগ জয়ী দলটি। দেবেন্দ্র তামাংয়ের দূর থেকে নেওয়া উঁচু শট ভালো করে গ্রিপ করতে পারেননি দীপেন্দু। আর অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধে জয়সূচক গোলটি করে যায় থ্রি স্টার নেপাল। গোল করেন বিজয় গুরুং। নির্ধারিত সময়ের ৮০ মিনিটে জিতেন মুর্মুর ক্রস থেকে হেডে অসাধারণ গোল করে লাল-হলুদকে এগিয়ে দিয়েছিলেন আদিলেজ। যদিও শেষরক্ষা হল না, নেহরু স্টেডিয়ামে উপস্থিত ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের হতাশ হয়েই ফিরতে হল। নির্ধারিত সময়ের শেষে যখন অনেকেই মনে করেছিলেন ১৯৯২ সালের দীর্ঘ সময় পরে ষষ্ঠবার তাদের লিগ জেতাটা শুধু সময়ের অপেক্ষা। তখনই গোটা চিত্রটা পালটে যায়। ফলে চতুর্থবার রানার্স হয়েই অভিযান শেষ করতে হল রঞ্জন চৌধুরীর ‘তরুণ’ ইস্টবেঙ্গলকে। তবে ফাইনালে হারলেও তরুণ দল ও অ্যাকাডেমির শিক্ষানবিশদের পারফরম্যান্সে খুশি ইস্টবেঙ্গল শিবির।

ম্যাচের আগের দিন ব্যথা অনুভব করা ক্যালাম অ্যাঙ্গাসের শরীরের উন্নতি না হওয়ায় তার বদলে তরুণ কৌশিক সরকার ও অশপ্রীতকে নিয়ে ডিপ ডিফেন্স সাজায় ইস্টবেঙ্গল। তবে প্রায় গোটা ম্যাচেই ছন্নছাড়া ফুটবল খেলে তারা। নেপালের দলটি অনেক সংগঠিত হলেও তারাও খুব একটা সুযোগ সেভাবে তৈরি করতে পারেনি। বরং ইতিউতি ফাউলে বারবার স্তব্ধ হয়েছে খেলা। সামাদ ও থ্রি স্টারের একজন ফুটবলার লাল কার্ডও দেখেছেন।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here