ইস্টবেঙ্গল-২(ব্র্যান্ডন, আল আমনা)   পাঠচক্র-১(জগন্নাথ)  

কলকাতা: গত দু’দিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল কলকাতা ফুটবলের পুরোনো গরিমা ফিরে এসেছে। কারণ, গত দু’দিনে পরপর দুই বড়ো দলকে আটকে দিয়েছে ছোটো দল। যে ঘটনা কলকাতা ফুটবল থেকে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছিল। বৃহস্পতিবার মোহনবাগান মাঠেও গত দু’দিনের পুনরাবৃত্তি হতে যাচ্ছিল।

এদিন ইস্টবেঙ্গল যে খারাপ খেলেছে, তা নয়। তবে দুর্দান্ত ফুটবল খেলল পাঠচক্র। বুধবার রেনবোর সুমিত দাসের পর এদিন নজর কাড়লেন পাঠচক্রের জগন্নাথ ওঁরাও। প্রথমার্ধের ৪১ মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দিলেন। সারা মাঠ দাপিয়ে খেললেন, ম্যাচের সেরাও হলেন।

ইস্টবেঙ্গলের দু’টি গোলের পেছনেই কিন্তু রয়ে গেল কাহিনি। গোটা ম্যাচে বেশ কিছু দারুণ সেভ করলেও, প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে সহজ বল হাত থেকে ফস্কালেন পাঠচক্রের গোলকিপার গুভম দাস। সেই বল তাড়া করে চমৎকার শটে গোল করলেন ব্র্যান্ডন।

টানটান খেলা হল গোটা দ্বিতীয়ার্ধ জুড়ে। যখন সবাই ধরে নিয়েছেন, টানা তিনটি বড়ো দলের ম্যাচ ড্র হতে চলেছে। তখনই ঘটে গেল অপ্রত্যাশিত ঘটনাটি। বল নিয়ে বক্সের মধ্যে ছুকেছিলেন আল আমনা। তাঁকে পেছন থেকে ট্যাকল করেন ভিক্টর। পড়ে যান আল আমনা। রেফারি তন্ময় ধর পেনাল্টি দেন। সেই পেনাল্টি থেকে গোল করেন আল আমনা। গোটা ম্যাচেই দারুণ খেলেছেন সিরিয়ার মিডফিল্ডার। বেশ কয়েকটা গোলের সুযোগও তৈরি করেছেন। জয়সূচক গোলটি হয়তো তাঁর প্রাপ্যই ছিল। কিন্তু ওই পেনাল্টি নিয়ে সরগরম হয়ে গেল ময়দান। অনেকের মতে ভিক্টরের পুশ ইচ্ছাকৃত ছিল না। তাই ওটা পেনাল্টি নয়।

এমনকি ক্ষুব্ধ হয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেন মোহনবাগানের সহ সচিব সৃঞ্জয় বসুও।

mohunbagan secretary srinjoy bose's facebook post against eastbengalপেনাল্টি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পাঠচক্র কর্তা নবাব ভট্টাচার্যও। তাঁর মতে, ওই ফাউল ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে হলে কোনো মতেই পেনাল্টি দেওয়া হত না। কলকাতা লিগ আসলে বড়ো দলকে উপহার দেওয়া লিগ।

ছয়ে ছয় করে ফের লিগ শীর্ষে পৌঁছে গেল লালহলুদ।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন