কলকাতা: কোয়েস কর্তারা সুপার কাপ ও আইএসএল না খেলতে চাওয়ায় আপাতত চূড়ান্ত খারাপ সম্পর্ক ইস্টবেঙ্গল ও কোয়েসের। কিন্তু অনেকেই মনে করছেন, এর নেপথ্যে মোহনবাগানের এক শীর্ষকর্তার ভূমিকা রয়েছে। বস্তুত, কিছুদিন আগে মোহনবাগানের সেই কর্তার সঙ্গে কোয়েসের শীর্ষকর্তার বৈঠকের পরই পরিস্থিতির অবনতি হয়। ব্যাপারটা ঠিক কী?

সত্যি বলতে, আইএসএল সম্পর্কে কোয়েসের বক্তব্য়ে সারবত্তা আছে। তারা ফেডারেশনকে চিঠি দিয়ে জানতে চেয়েছে, ১৫ কোটি টাকা প্রবেশমূল্য দিয়ে তাঁদের লাভ কী হবে? সম্প্রচার সত্ত্বের কত অংশ তাঁরা পাবেন? কিন্তু সমস্যাটা সেটা নয়। আইএসএল খেলার কথা ঘোষণা করে দেওয়ার পর তারা এই নতুন করে প্রশ্ন তোলাতেই সন্দেহ হচ্ছে সমর্থকদের। কারণ মোহনবাগানের সঙ্গে এটিকে-র কথাবার্তা অনেকদূর এগিয়ে গেলেও চূড়ান্ত হচ্ছে না অংশীদারিত্ব ও বোর্ড ডিরেক্টর্সে প্রতিনিধি সংক্রান্ত জটিলতায়। সেক্ষেত্রে কোয়েস, ইস্টবেঙ্গল ছেড়ে বেরিয়ে এলে তারা মোহনবাগানের স্পনসর হয়ে যেতেই পারে। সে ব্যাপারেই সক্রিয় বাগান-কার্তাদের একাংশ। কিন্তু কেন বাজারে কি আর বিনিয়োগকারী নেই!

আসলে ফেডারেশন কোনোভাবেই চাইছে না কলকাতা থেকে তিনটি দল আইএসএল খেলুক। তারা যে করে হোক, মোহনবাগানের সঙ্গে এটিকে-কে জুড়ে দিতে চাইছে। অন্যান্য আগ্রহী বিনিয়োগকারীদের আটকে দিচ্ছে নানা কৌশলে। অথচ এটিকে-র সব শর্ত বাগানের পক্ষে মানা সম্ভব হচ্ছে না। সব শর্ত মেনে নিলে ক্লাবের সদস্য-সমর্থকরা ক্ষুব্ধ হবেন। এই অবস্থায় আইএসএল-সুপার কাপ ইস্যুতে বাগানের সঙ্গে দহরম মহরম বাড়িয়েছে কোয়েস। জটিলতা বাড়ছে কলকাতা ফুটবলে।

2 মন্তব্য

Leave a Reply to Debanik Biswas উত্তর বাতিল

Please enter your comment!
Please enter your name here