katsumi amna

মুম্বই সিটি এফসি – ১ (এমানা)                              ইস্টবেঙ্গল – ২ ( কাতসুমি, আমনা )

ওয়েবডেস্ক:  জয় দিয়ে সুপার কাপের যাত্রা শুরু করল ইস্টবেঙ্গল। বৃহস্পতিবার ওড়িশার কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে পিছিয়ে পড়েও তারা হারাল আইএসএলের দল মুম্বই সিটি এফসিকে। এদিন শুরুতে অবশ্য ঘর গুছিয়েই আক্রমণে যাওয়ার চেষ্টা করে দুই দল। তবে ম্যাচ যত এগোতে থাকে ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণ বাড়তে থাকে। রালতে, কাতসুমিরা সুযোগ পেলেও গোল হয়নি। প্রতি আক্রমণে ম্যাচে আক্রমণ শানায় মুম্বইও। ২২ মিনিটে বক্সে মুম্বইয়ের বিদেশি এমানাকে ফাউল করায় ফ্রি-কিক পায় মুম্বই। বিশ্বমানের গোলে দলকে এগিয়ে দেন সেই এমানা। পিছিয়ে পড়েও আক্রমণ শানাতে থাকে ইস্টবেঙ্গল। তার ফলও পেয়ে যায় তারা কিছুক্ষণের মধ্যে। ২৬ মিনিটে সামাদের দেওয়া বলে, হেডে গোল করে সমতা ফেরান কাতসুমি। সমতা ফিরিয়ে আক্রমণ আরও বাড়াতে থাকে তারা, ২৯ মিনিটে ফের সুযোগ পান কাতসুমি, তবে গোল করতে ব্যর্থ হন। প্রথমার্ধে আর কোনো গোল হয়নি।

দ্বিতীয়ার্ধে শুরু থেকেই আক্রমণে ঝাঁপায় মুম্বই সিটি। রাজুর শট, সঞ্জুদের নেওয়া কর্নার প্রতিরোধ করেন লালহলুদ গোলকিপার উবেদ। প্রতি আক্রমণে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে ইস্টবেঙ্গলও। কাতসুমির নেওয়া শট বাঁচিয়ে দেন, বিপক্ষ গোলকিপার অমরিন্দর। তবে এদিন ইস্টবেঙ্গলের স্ট্রাইকারদের থেকেও মিডফিল্ডাররা ম্যাচে বেশি চোখে পড়েন। যখন মনে হচ্ছিল, ম্যাচ হয়তো এক্সট্রা টাইমে যাবে, ঠিক সেই সময় ইস্টবেঙ্গলকে এগিয়ে দেন, মিডফিল্ডের স্তম্ভ আল আমনা। ৭৩ মিনিটে চুলোভার শট বাঁচান গোলকিপার অমরিন্দর। সেই বলকে অনুসরণ করে গোল করেন ম্যাচের সেরা খেলোয়াড়, সিরিয়ান আমনা। এগিয়ে গিয়েও আক্রমণ বাড়াতে থাকে মশাল বাহিনী। তবে ব্যবধান বাড়েনি।

ম্যাচ শেষে কোচ খালিদ জামিল জানান,” পিছিয়ে পড়ে ম্যাচ জিতে ভালো লাগছে। পরবর্তী লক্ষ্য কোয়ার্টার ফাইনালে এই জয় ধরে রাখা”।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন