অঞ্জন মিত্র, সৌজন্য:টাইমস অফ ইন্ডিয়া

কলকাতা: কিছুদিন আগেই ক্লাব তাঁবুতে অভিযোগ করেছিলেন, ক্লাবের বিরোধী গোষ্ঠী তখা মোহনবাগান ফুটবল ইন্ডিয়া লিমিটেড সংস্থার তিন ডিরেক্টর টুটু বসু-সৃঞ্জয় বসু-দেবাশিস দত্তরা তাঁকে স্পনসর আনতে দিচ্ছেন না। পরিস্থিতি এরকম চললে ‘জনতার দরবারে’ যাবেন বলেও জানিয়েছিলেন ক্লাব সচিব অঞ্জন মিত্র। বুধবার মোহনবাগানে বিনিয়োগকারীর নাম ঘোষণার ক্ষেত্রে সেই কৌশলই নিতে চলেছেন অঞ্জনবাবু।

মঙ্গলবার ক্লাবে কর্মসমিতির বৈঠকে স্পনসর নিয়ে আলোচনা হয়। নির্বাচনী কৌশল নিয়ে আলোচনার কথা থাকলেও সময়ের অভাবে তা সম্পূর্ণ করা যায়নি। সে জন্য এদিন দুপুর দেড়টা থেকে ক্লাবে কর্মসমিতির বৈঠক হবে। তখনই বিনিয়োগকারী সংক্রান্ত বিষয়ে টুটু-সৃঞ্জয়দের সঙ্গে কথা বলবেন অঞ্জন মিত্র। তারপর তিনটেয় বিনিয়োগকারী নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক। এখানেই চমক।

এদিনের সাংবাদিক বৈঠক হবে ক্লাব লনে। থাকছে মাইকের ব্যবস্থাও। কারণ এদিন পশ্চিমবঙ্গ পুলিসের সঙ্গে মোহনবাগানের খেলা আছে। খেলা থাকলে ৩টের সময় ক্লাবের গেট খোলা হয়। অঞ্জনগোষ্ঠী চায় সমর্থকরা যেন বিনিয়োগকারী-সংক্রান্ত অঞ্জনবাবুর ঘোষণা শুনতে পান। সেজন্যই পরিকল্পনামাফিক এদিন সাংবাদিক বৈঠক ডাকা হয়েছে। কারণটা কী?

জানা গেছে দশ বছরের জন্য মোহনবাগানের বিনিয়োগকারী হতে চলেছে একটি ভারতীয় সংস্থা। ক্লাবের স্পনসর তারাই আনবে। কিন্তু যাবতীয় কথা চূড়ান্ত হয়ে গেলেও কোনো চুক্তি সই হয়নি। কারণ ওই সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করতে হবে মোহনবাগানের কোম্পানির। যার ডিরেক্টর্স বোর্ডে সংখ্যাগরিষ্ঠ বিরোধীরা। বিনিয়োগকারী সংস্থা চায় আগামী ৩-৪ দিনের মধ্যে চুক্তি করতে। নইলে গোটা প্রক্রিয়াই পিছিয়ে বা বাতিল হয়ে যেতে পারে। যদি এই বিনিয়োগকারীর সঙ্গে চুক্তিতে টুটু-সৃঞ্জয়রা সই করতে না চান। তাহলে অঞ্জনবাবু তাঁদের বলবেন, আগামী তিন দিনের মধ্যে আরও বড়ো স্পনসর নিয়ে আসতে। কারণ সংস্থার ডিরেক্টর হিসেবে স্পনসর আনার দায়িত্ব তাঁদেরও।

আর এই সবটাই ক্লাবের সদস্য-সমর্থকদের সামনে স্বচ্ছ ভাবে তুলে ধরতে চান সচিব। যাতে বিরোধী গোষ্ঠী স্পনসর আনার ক্ষেত্রে নতুন করে বাধা দিলে নির্বাচনের ময়দানে সদস্যদের সহানুভূতির হাওয়া তিনি ঘরে তুলতে পারেন।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন