ফ্রান্সিসকো ফিউইলাসিয়ার ফ্রাঞ্চু

ওয়েবডেস্ক: তাঁর দাদা সান্তিয়াগো ছিলেন রেয়াল মাদ্রিদের যুব একাদেমিতে। ২০০৮ সালে মায়ের সঙ্গে দাদাকে দেখতে এসেছিলেন তিনি। তখন তাঁর বয়স ১০। মাঠের পাশে দাঁড়িয়ে দাদাদের অনুশীলন দেখে বোর হচ্ছিলেন। তখনই তাঁকে দেখে মাঠে ডেকে নেন রিয়াল মাদ্রিদের এক প্রাক্তনী। তারপর আর্জেন্তিনার কিশোরের গতি আর বল নিয়ন্ত্রণ দেখে মুগ্ধ হয়ে যান।

সেই প্রাক্তনীই মাদ্রিদের কর্তাদের অনুরোধ করেন ফ্রান্সিসকো ফিউইলাসিয়ারকে য়ুব একাদেমিতে ভর্ভি করে নিতে। তাঁরাও ভুল করেননি। সেই থেকে রেয়াল মাদ্রিদেই রয়েছেন ফ্রাঞ্চু(তাঁর ডাক নাম)। খেলছেন রেয়ালের বিভিন্ন বয়সভিত্তিক দলে। বর্তমানে খেলেন রেয়ালের বি টিম রেয়াল মাদ্রিদ কাস্তিলায়। তবে তাঁর প্রতিভা দেখে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালের স্কোয়াডে তাঁকে রেখেছিলেন কোচ জিনেদিন জিদান।

ইতিমধ্যেই ‘মাদ্রিদের মেসি’ নামে পরিচিত হয়ে গেছেন তিনি। মাস কয়েক আগে স্পেনের দ্বিতীয় ডিভিশন লিগে সেরসেদার বিরুদ্ধে একক কৃতিত্বে দুরন্ত গোল করে সকলের নজর কাড়েন।

এখন অবশ্য তিনি আমেরিকায়। প্রাক মরশুম টুর্নামেন্ট ইন্টারন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নস কাপের দলে নয় জন জুনিয়র ফুটবলারকে নিয়ে গেছে রেয়াল। তারকাদের বিশ্রাম দেওয়ার জন্য। সেই দলে রয়েছেন ফ্রাঞ্চুও।

কিন্তু ২০ বছর বয়সের ফ্রাঞ্চু এখনও তাঁর নিজের দেশ আর্জেন্তিনার জার্সি গায়ে তোলেননি। তা নিয়ে যারপরনাই উদ্বিগ্ন আর্জেন্তিনার ফুটবল ফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট ক্লদিও তাপিয়া। সম্প্রতি তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। স্পেন চায় ফ্রাঞ্চুকে নিজের দেশের হয়ে খেলাতে। ফিউলাসিয়ার যদি দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে নেন, তাহলে সেটা হতেই পারে। তা নিয়েই গভীর উদ্বেগে রয়েছেন তাপিয়া। কীভাবে দ্রুত ফ্রাঞ্চুর গায়ে নীলসাদা জার্সি পরানো যায়, তারই ভাবনায় রয়েছেন তাপিয়া।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here