mdsfinal

মহামেডান – ০                           এরিয়ান -১ (এম্যানুয়েল) 

ওয়েবডেস্ক: বাবা বনাম ছেলে দ্বৈরথে শেষ হাসি কিন্তু ছেলেরই। অর্থাৎ কলকাতা লিগে বাবা রঘু নন্দীর প্রশিক্ষাধীন মহামেডান স্পোর্টিং-কে এক গোলের ব্যবধানে হারাল তাঁরই ছেলে রাজদীপ নন্দীর প্রশিক্ষাধীন এরিয়ান ক্লাব। বারাসতে মরশুমের দ্বিতীয় ম্যাচেই হার সাদাকালো বাহিনীর। ফলে লিগ জয়ের স্বপ্নে কিছুটা যে তারা পিছিয়ে পড়ল তা বলাই যায়। পরিকল্পনা মাফিক ফুটবলে বিপক্ষকে টেক্কা দিল এরিয়ান। ফলে লিগ তালিকায় আপাতত দ্বিতীয় স্থানে উঠে এলো তারা।

গত ম্যাচে মহামেডান জয় পেলেও, দ্বিতীয় ম্যাচে অবশ্য শুরুতে তাঁর ছিটে ফোটাও দেখা যায়নি। কিছুটা বিরক্তিকর ফুটবল। গত ম্যাচের মতো এই ম্যাচেও ব্যর্থ সাদাকালোর স্ট্রাইকার এমেকা। এখনও প্রচুর খাটতে হবে তাঁকে ফিটনেসের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাতে গেলে। তবে প্রথমার্ধের দশ মিনিটের মাথায় হাফ চান্স পেয়েছিলেন তবে কার্যকর করতে ব্যর্থ হন। প্রথম থেকেই একটা টার্গেট মাথা নিয়ে নেমেছিলেন জুনিয়র নন্দীর ছেলেরা। ডিফেন্সকে আঁটসাঁটও করে প্রতিআক্রমণে বিপক্ষকে টলিয়ে দেওয়া। যার ফল বিরতিতে যাওয়ার মিনিট সাতেক আগে এমানুয়েলের চলতি বলে শটে ম্যাচে লিড তাঁদের। ফাঁকা বলে গোল ঢোকানোর সুযোগ পেয়েছিলেন মহামেডানের টুরে। তবে ব্যর্থ হন তিনি। গত ম্যাচের নায়ক প্রসেনজিত এই ম্যাচেও নজরকারা পারফরমেন্স করলেন। গোলও পেতে যেতে পারতেন তবে ৪০ মিনিটে তাঁর ইন্সটেপে নেওয়া শট বাঁচিয়ে দেন এরিয়ান গোলকিপার শৌভিক।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে কিছুটা ওপেন ফুটবলেই শুরু করে দু’দল। গোলের লক্ষ্যে দু’দলেই গতি লক্ষ্য করা যায়। তবে মহামেডানের তাগিদতা ছিল একটু বেশি। অবশ্যই সমতা ফেরানোর জন্য। আক্রমণে ঝাঁজ বাড়ানোর জন্য গত ম্যাচে নজরকাড়া রাহুল কেপি-কে মাঠে নামান সাদাকালো কোচ রঘু নন্দী। ম্যাচে প্রবল ভাবে আক্রমণে শানায় তাঁরা। তবে এদিন এ রিয়ান ডিফেন্সকে একশোয় একশো দিতেই হয়। ঠাণ্ডা মাথায় নিজেদের দুর্গ অটুট রেখে গেল তারা। ৬৮ মিনিটে টুরের হেডার পোস্টে যদি না লাগত তাহলে বলা মুশকিল শেষমেশ খেলার গতিপ্রকৃতি কেমন হতো। তবে এক গোলের ব্যবধানেই মরশুমের প্রথম জয় ঘরে তুলল এরিয়ান।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন