ওয়েবডেস্ক: ক্যাতালোনিয়ায় মেসিদের নতুন প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে এ বছর উঠে এসেছে জিরোনা। অতএব ডার্বি। তো মেসিদের বিরুদ্ধে তাঁদের ম্যাচ ডার্বির মর্যাদা পাওয়াতেই হয়তো তাক লেগে গেছিল জিরোনার কোচ-ফুটবলারদের। দিব্যি দুর্বল ডিফেন্স আর মেসি-সুয়েরেজদের ফাঁকা জায়গা দিয়ে ৯০ মিনিটের একটা ম্যাচ খেললেন তাঁরা।

ফল যা হওয়ার তাই হল। প্রথমে গোল খেয়েও জিরোনাকে ৬-১ গোলে দুরমুশ করলেন মেসিরা। এবং সবচেয়ে বড়ো কথা, সুয়ারেজ হ্যাটট্রিক করলেও ম্যাচের আসল নায়ক সেই জাদুকর মেসিই। নিজে দুটো গোল তো করলেনই, গোল করালেন অন্তত দুটো। তাছাড়া কত যে গোলের সুযোগ তৈরি করলেন, তা গুনে শেষ করা যাবে না। সত্যি বলতে, বার্সার পাওয়া সবকটি সুযোগ যদি গোল হত, তাহলে এদিন অবশ্যই এক ডজন গোল খায় জিরোনা।

তা হয়নি, তবে মেসির ফ্রিকিকটা হয়েছে। বক্সির বাইরে পাওয়া ফ্রিকিক। মেসি পোস্টের বাঁদিক থেকে নিশ্চিন্ত ভঙ্গিতে গড়ানে শট মারলেন, গোলকিপার ঝাঁপিয়েও ধরতে পারলেন না। অবাক হওয়ারই কথা। আসলে মেসি এমন ভঙ্গিতে কিকটি নিলেন, যা দেখে জিরোনার দেওয়াল তৈরি করা ৩ ডিফেন্ডার মনে করলেন মেসি ওপর দিয়ে শট মারবেন, তাঁরা লাফিয়ে উঠলেন। বল তাঁদের পায়ের তলা দিয়ে গেল।

এসব দেখে বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দামি ফুটবলারের মন কি মানে! ম্যাচের ৬৬ মিনিটে বক্সের অনেকটা বাইরে, ডানপ্রান্ত থেকে অসাধারণ শটে গোল করে গেলেন কুটিনহো।

লা লিগায় টানা ৩২টি ম্যাচ অপরাজিত থাকল বার্সেলোনা। এটি তাঁদের নতুন রেকর্ড। এর আগে ২০১০-১১ সালে গুয়ের্দিওলার সমানায় টানা ৩১ ম্যাচ অপরাজিত ছিলেন মেসিরা। তবে লা লিগায় সবচেয়ে বেশিদিন অপরাজিত থাকার রেকর্ড গড়তে তাঁদের এখনও ৬টি ম্যাচ অপরাজিত থাকতে হবে। ১৯৭৯-৮০ তে সেই রেকর্ড করেছিল রিয়াল মাদ্রিদ।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here