final

চেলসি – ১                   আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্ট – ১

দুই পর্ব মিলিয়ে ২-২। টাইব্রেকারে ৪-৩ ব্যবধানে জয়ী চেলসি।

ভ্যালেন্সিয়া – ২           আর্সেনাল – ৪

দুই পর্ব মিলিয়ে ৭-৩ ব্যবধানে জয়ী আর্সেনাল

ওয়েবডেস্ক: চলতি সপ্তাহে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে দুটি ঐতিহাসিক ম্যাচের সাক্ষী থেকেছেন ফুটবলপ্রেমীরা। বার্সেলোনাকে হারিয়ে ফাইনালে লিভারপুল। অন্যদিকে আয়াখসকে হারিয়ে ফাইনালে টটেনহ্যাম। এবার পালা ছিল ইউরোপা লিগের। এক্ষেত্রেও দুটি অনবদ্য সেমিফাইনালের সাক্ষী থাকলেন ফুটবলপ্রেমী দর্শকেরা।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগের মতো, ইউরোপা লিগেও অল-ইংল্যান্ড ফাইনাল হতে চলেছে। অর্থাৎ চেলসির মুখোমুখি  আর্সেনাল। বৃহস্পতিবার একই সময়ে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে নেমেছিল এই দুই দল। ঘরের মাঠে চেলসি এবং বাইরের মাঠে আর্সেনাল।

ঘরের মাঠে দু’গোলের অ্যাডভান্টেজ নিয়ে বাইরের মাঠে ভ্যালেন্সিয়ার বিরুদ্ধে শুরুতে কিছুটা চাপে ছিল আর্সেনাল। শুরুতেই গোল পেয়ে চাপ বাড়ায় ভ্যালেন্সিয়াও। তবে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি আর্সেনালকে। মিনিট কয়েকের মধ্যে সমতা ফেরান অবামেয়াং। চাপ বাড়লেও, প্রথমার্ধে ব্যবধান বাড়েনি। দ্বিতীয়ার্ধে শুরু থেকেই চাপ আর্সেনালের। এই অর্ধে ভ্যালেন্সয়া গোল পেলেও তা থেকে খুব একটা লাভজনক হয়নি। কারণ আর্সেনাল জার্সিতে হ্যাটট্রিক করেন অবামেয়াং। বাকি গোল লাকাজেতের।

কোচ হিসাবে প্রথম মরশুমেই আর্সেনালকে ইউরোপিয়ান টুর্নামেন্টের ফাইনালে তুললেন উনাই এমরি। টুর্নামেন্টে জিতলে চারবার কোচ হিসাবে এই ট্রফি জিতবেন এমরি। এর আগে সেভিয়ার হয়ে তিনবার জিতেছিলেন।

ওপর ম্যাচে ঘরের মাঠে চাপ রেখেই শুরু করে চেলসি। প্রথম পর্বে বাইরের মাঠে ড্র করলেও অ্যাওয়ে গোল পেয়েছিল তারা। দলের হয়ে প্রথমার্ধে গোল লফটাসচিকের। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে আইনট্রাখট ফ্রাঙ্কফুর্টের হয়ে সমতা ফেরান লুকা জোভিচ। এরপর পুরো খেলাই পরস্পর আক্রমণাত্মক। চাপ দু’দল রাখলেও, নির্ধারিত সময়ে গোলের খাতা খুলতে কেউই পারেনি। অতিরিক্ত তিরিশ মিনিটে ফ্রাঙ্কফুর্ট জোড়া সুযোগ পেলেও তা থেকে বিপদরোধ করেন চেলসি ফুটবলাররা। ফাউলের জন্য চেলসির গোলও বাতিল হয়ে যায়।

শেষমেশ টাইব্রেকারে খেলার নিস্পত্তি ঘটে। প্নেনাল্টি মিস করে চাপে পরে যায় চেলসি। তবে গোলকিপার আরিজিবালাগ্র দুর্দান্ত দুটি সেভে ম্যাচে জয় চেলসির।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here