কলকাতা: আট বছর পর লিগ জিতে যেমন উচ্ছ্বাস থাকার কথা তেমনই উচ্ছ্বাসে ভেসে গেল মোহনবাগান তাঁবু। সদস্য-সমর্থকরা যখন আনন্দে মাতোয়ারা, তখন ড্রেসিংরুমেও চলছে বাঁধভাঙা উদ্‌যাপন। সবচেয়ে বেশি উন্মাদনা কোচ শঙ্করলালকে নিয়ে। ক্লাবের বিরোধী গোষ্ঠীর নেতা দেবাশিস দত্ত বলেই দিলেন, ক্লাবের বর্তমান অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিতে দলকে একজোট রেখে লিগ জেতার কৃতিত্ব শঙ্করলালেরই সবচেয়ে বেশি। জীবনের প্রথম ট্রফি পেয়ে দারুণ খুশি শঙ্করলালও। বলছিলেন, “এই প্রথম কোচ হিসেবে একটা মঞ্চ পেলাম। এবার এখান থেকে নতুন করে পথ চলা শুরু করতে হবে। অপরাজিত হয়ে কলকাতা লিগ জিতেছি। এবার আই লিগেও অপরাজিত থাকতে চাই”।

ক্লাব সচিব অঞ্জন মিত্র বললেন, প্রশাসক হিসেবে সবচেয়ে কঠিন সময়ে এই ট্রফি জয়ের তাৎপর্য আলাদা। এর আগে এত কঠিন সময় কখনও আসেনি। তবে তিনি এবং পদত্যাগী সহ সচিব সৃঞ্জয় বসু, কেউই এদিন রাজনীতির কথা তুলতে চাননি। তবে তাঁরা মুখে কিছু না বললেও আনন্দের দিনেও ড্রেসিংরুমে থেকে গেল রাজনীতির ছোঁয়া। যুযুধান কর্তারা কেউ কারও মুখ দেখলেন না। সচিবের ঘরে ঢুকে শুভেচ্ছা জানালেন না টুটু-সৃঞ্জয়-দেবাশিস। সেই লড়াই পৌঁছে গেল ফুটবলারদের পুরস্কার দেওয়ার ক্ষেত্রেও। সচিব ও পদত্যাগী প্রেসিডেন্ট আলাদা ভাবে পুরস্কৃত করলেন ফুটবলারদের। সচিব সব ফুটবলার ও সাপোর্ট স্টাফদের প্রত্যেককে আলাদা করে পাঁচ হাজার টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন। অন্যদিকে টুটু বসু ঘোষণা করলেন দুই লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন