কোপা আমেরিকা আপডেট: বোলিবিয়াকে ওড়াল আর্জেন্তিনা, জিতল উরুগুয়েও

    আরও পড়ুন

    খবরঅনলাইন ডেস্ক: কোপা আমেরিকা ২০২১ টুর্নামেন্টের সব ম্যাচের যাবতীয় আপডেট দেখে নিন খবর অনলাইনে।

    ২০তম ম্যাচ বোলিবিয়া (১) আর্জেন্তিনা (৪)

    গ্রুপ ‘বি’র শীর্ষে এমনিতেও ছিল আর্জেন্তিনা। কিন্তু ব্রাজিলকে দাপটটা দেখিয়েছে, সেটা কিছুতেই দেখা যাচ্ছিল না আর্জেন্তিনার। অবশেষে বোলিবিয়াকে চার গোলের মালা পরিয়ে ঠিক সেই দাপটই দেখাল আর্জেন্তাইনরা। তবে ৪ গোল হলেও আরও একাধিক গোল তারা করতে পারত ম্যাচে।

    Loading videos...

    ম্যাচের ৬ মিনিটের মাথায় আলেখান্দ্রো দাইরো গোমেজের গোলে এগিয়ে যায় আর্জেন্তিনা। ৩৩ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে দু’গোলে এগিয়ে দেন মেসি। ন’মিনিটের মাথায় ফের মেসিই গোল করেন। প্রথমার্ধেই তিন গোলে এগিয়ে যায় আর্জেন্তিনা।

    - Advertisement -

    দ্বিতীয়ার্ধেও সমান দাপট দেখিয়ে গিয়েছে আর্জেন্তিনা। তবে কিছুটা আত্মতুষ্ট হয়ে একটি গোলও খেয়ে যায় তারা। ৬০ মিনিটে একটা গোল করে ব্যবধান কমান এদউইন সাবেন্দ্রা। এর পাঁচ মিনিটের মধ্যেই অবসেশ আর্জেন্তিনার হয়ে চতুর্থ গোলটি করেন লাউতারো মার্তিনেজ।

    ম্যাচে ১৩টা ‘অন টার্গেট’ শট নিয়েছিল আর্জেন্তিনা। এর থেকেই বোঝা কী রকম দাপট নিয়ে এ দিন খেলছিল তারা।

    ১৯তম ম্যাচ: উরুগুয়ে (১) পারাগুয়ে (০)

    পারাগুয়েকে ১ গোলে হারিয়ে কোপা আমেরিকার গ্রু ‘বি’তে নিজেদের দ্বিতীয় স্থান ধরে রাখল উরুগুয়ে। ম্যাড়ম্যাড়ে ম্যাচে এ দিন বেশি দাপট উরুগুয়েরই ছিল।

    ম্যাচের ২১ মিনিটের মাথায় পেনাল্টি পেয়ে যায় উরুগুয়ে। সেখান থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন এদিনসোন কাবানি। তাঁর পর গোলের মুখ দেখেনি কোনো দল। তবে এই ম্যাচে আগাগোড়া দাপট দেখিয়ে গিয়েছে উরুগুয়ে। যেমন বারবার বল নিয়ে পারাগুয়ের রক্ষণে ঢুকে পড়ছিল তারা ঠিক তেমনই নিজেদের রক্ষণ এতটাই শক্তিশালী করেছিল যে পারাগুয়েকে বিশেষ কিছু করতেও দেয়নি।

    ১৮তম ম্যাচ: ভেনেজুয়েলা (০), পেরু (১)

    ভেনেজুয়েলাকে ১ গোলে হারিয়ে কোপা আমেরিকার গ্রুপ ‘এ’তে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল পেরু। রবিবার যোগ্য দল হিসেবেই ভেনেজুয়েলাকে হারিয়েছে তারা।

    ম্যাচে আগাগোড়া দাপট পেরুরই ছিল। দল দখলের লড়াই হোক, বা শট নেওয়া, সব ক্ষেত্রেই এগিয়ে ছিল পেরু। এমন কি গোটা ম্যাচে যেখানে ভেনেজুয়েলা ৪৪৪টি পাস খেলেছে, সেখানে পেরু খেলেছে ৬০০টি। আরও হয়তো গোলের সুযোগ আসতে পারত, কিন্তু একটা গোলেই এ দিন সন্তুষ্ট থাকতে হয় পেরুকে। দ্বিতিয়ার্ধের প্রথম ৩ মিনিটের মাথায় গোলটি করেন আন্দ্রে কারিয়ো

    ১৭তম ম্যাচ: ব্রাজিল (১) একুয়াদোর (১)

    ব্রাজিলকে আটকে দিয়ে চমক দিয়েছে অপেক্ষাকৃত দুর্বল দল একুয়াদোর। তবে এ দিন ব্রাজিল ছিল নেইমারহীন।

    ম্যাচের শুরু থেকে ব্রাজিলেরই দাপট ছিল। প্রথমার্ধেই এক গোলে এগিয়ে যায় তারা। ৩৭ মিনিটে ফ্রি কিককে কাজে লাগিয়ে গোলটি করেন মিলিটা। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়ায় একুয়াদোর। সাফল্যও আসে হাতেনাতে। ৫৩ মিনিটে অসাধারণ একটা গোল করে দলের সমতা ফিরিয়ে আনেন আঙ্খেল মেনা। দলের পরিবর্ত খেলোয়াড় হিসেবে নেমেছিলেন এই মেনা।

    ১৬তম ম্যাচ: চিলে (০) পারাগুয়ে (২)

    গ্রুপ ‘বি’র অন্য ম্যাচে চিলেকে দু’গোলে হারাল পারাগুয়ে। কিন্তু এই ম্যাচে আগাগোড়া চূড়ান্ত দাপট দেখিয়ে খেলে গেছে চিলে।

    ম্যাচের ৩৩ মিনিটে ব্রারিয়ান সামুদিওর গোলে এগিয়ে যায় পারাগুয়ে। এর পর ম্যাচে প্রথম ভাবে ফিরে আসতে চেষ্টা করে চিলে। কিন্তু ডিফেন্স নির্ভর এই ম্যাচে পারাগুয়ের ডিফেন্সের দেওয়াল ভাঙতে পারেনি তারা। ৫৮ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করে দলকে দু’গোলে এগিয়ে দেন মিগুয়েল আলমিরোন। ব্যাস এর পর আর গোল করার তাগিদ কেউই দেখায়নি। এই ম্যাচের পর গ্রুপ টেবিলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে পারাগুয়ে, তিন নম্বরে রয়েছে চিলে।

    ১৫তম ম্যাচ: বোলিবিয়া (০) উরুগুয়ে (২)

    কোপা আমেরিকার ১৫তম ম্যাচে স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার বোলিবিয়াকে দু’গোলে হারাল উরুগুয়ে। এই ম্যাচে আগাগোড়া দাপট দেখিয়ে যোগ্য দল হিসেবেই জিতল সুয়ারেজবাহিনী।

    তবে আত্মঘাতী গোলের রোগ এখানেও গেল না। ম্যাচের ৪০ মিনিটে এগিয়ে যায় উরুগুয়ে। বোলিবিয়ার খাইরো কিনতেরোস নিজের দলের জালের বল জড়িয়ে দেন। এর পর প্রায় ৪০ মিনিট উরুগুয়েকে গোল করতে দেয়নি বোলিবিয়া। যদিও মাঝেমধ্যেই তারা চূড়ান্ত আক্রমণ শানাচ্ছিল।

    শেষে ৭৯ মিনিটে দলের হয়ে দু’নম্বর গোলটি করেন এদিনসোন কাবানি। এই জয়ের পরে উরুগুয়ে কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে গ্রুপ টেবিলে চতুর্থ উঠে কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করল উরুগুয়ে।

    ১৪তম ম্যাচ: কোলোম্বিয়া (১) ব্রাজিল (২)

    কোলোম্বিয়ার বিরুদ্ধে বড়ো অঘটন এড়াল ব্রাজিল। ম্যাচে আগাগোড়া দাপট দেখিয়েও কোলোম্বিয়ার বিরুদ্ধে হেরে যাওয়ার ভয় ঢুকে গিয়েছিল নেইমারবাহিনীর মধ্যে। স্থানীয় সময় বুধবার রাতের এই ম্যাচে প্রথমেই এগিয়ে যায় কোলোম্বিয়া। ম্যাচের দশ মিনিটেই ব্রাজিলের জালে বল জড়িয়ে দেন লুইস দিয়াস।

    এর পরেই রক্ষণ শক্তিশালী করে ফেলে কোলোম্বিয়া। কোনো ভাবেই গোলা না খাওয়ার প্রতিজ্ঞা করেছিল তারা। এরই মধ্যে নেইমারের একটা বল কোলোম্বিয়ার পোস্টে লেগে ফিরেও আসে। তবে ৭৮ মিনিটে রবার্তো ফার্মিনোর গোলে সমতা ফেরায় ব্রাজিল। যদিও এই গোলকে কেন্দ্র করে বিতর্ক রয়েছে। কোলোম্বিয়ার অভিযোগ রেফারির গায়ে লেগেছিল বলটা।

    এ দিকে, ম্যাচে দশ মিনিটএর স্টপেজটাইম দেওয়া হয়। এটা নিয়েও কোলোম্বিয়া প্রতিবাদ জানায় কি না দেখার। কারণ ব্রাজিল জয়সূচক গোলটি করে একদম শেষ মুহূর্তে। দ্বিতীয় গোলটি করেন কাসেমিরো। এই নিয়ে তিন ম্যাচে তিনটেই জয় পেল ব্রাজিল।

    ১৩তম ম্যাচ পেরু (২) একুয়াদোর (২)

    কোপা আমেরিকার ১৩তম ম্যাচে পেরুকে আটকে দিল একুয়াদোর। আগের ম্যাচেই কোলোম্বিয়াকে হারিয়ে এসেছে পেরু। ফলে ধারে এবং ভারে পেরুই শক্তিশালী দল ছিল এই ম্যাচে। তবে ম্যাচে আগাগোড়া দাপটই একুয়াদোরের ছিল।

    ম্যাচের ২৩তম মিনিটে পেরুর রেনাতো তাপিয়ার আত্মঘাতী গোল এগিয়ে দেয় একুয়াদোরকে। বিরতির ঠিক আগেই ম্যাচে ২ গোলে এগিয়ে যায় একুয়াদোর। এ বার গোল করেন আইরতোন প্রেসিয়াদো। বিরতির পর খেলা শুরু হওয়ার চার মিনিটের ম্যাথায় পেরুর হয়ে প্রথম গোলটি করেন জিয়ানলুসা লাপাদুলা। এর পাঁচ মিনিটে পর আন্দ্রে কারিয়োর গোলে সমতা ফেরায় পেরু।

    ১২তম ম্যাচ: আর্জেন্তিনা (১) পারাগুয়ে (০)

    এখনও নিজেদের সেরা খেলাটা খেলতেই পারছে না আর্জেন্তিনা। তবুও কাজের কাজ ঠিক হয়ে যাচ্ছে। মঙ্গলবার ভোর, অর্থাৎ স্থানীয় সময় সোমবার রাতে পারাগুয়েকে ১ গোলে হারাল আর্জেন্তিনা। আগের ম্যাচে উরুগুয়ের বিরুদ্ধেও ঠিক এটাই করেছিল মেসির দল।

    উরুগুয়ে ম্যাচের মতো এ দিনও শুরুতেই গোল পেয়ে যায় আর্জেন্তিনা। ম্যাচের দশম মিনিটেই পারাগুয়ের জালে বল জড়িয়ে দেন আলেখান্দ্রো দারিও গোমেজ। তার পর থেকেই মূলত ডিফেন্সভিত্তিক খেলা খেলতে শুরু করে তারা। গোল করার মতো কোনো আগ্রহও তাদের মধ্যে আর দেখা যায়নি।

    গোটা ম্যাচে সব কিছু পরিসংখ্যানে আর্জেন্তিনার থেকে কিছুটা এগিয়েই ছিল পারাগুয়ে। বল দখলের লড়াইয়ে এগিয়ে ছিল তারা। এমন কি এগিয়ে ছিল শট নেওয়ার ক্ষেত্রেও। তবুও ম্যাচ শেষে হাসি আর্জেন্তিনারই। তিন ম্যাচ থেকে ৭ পয়েন্ট নিয়ে নিল তারা।

    ১১তম ম্যাচ: উরুগুয়ে (১) চিলে (১)

    আবার আত্মঘাতী গোল! আর সেই ভুলেরই খেসারত দিতে হল চিলেকে। নইলে তারা হয়তো জিতেই যেত। কোপা আমেরিকার ১১তম ম্যাচে সোমবার চিলের বিরুদ্ধে ১-১ গোলে ড্র করল উরুগুয়ে। ২৬ মিনিটে এদুয়ার্দো বার্গাসের গোলে এগিয়ে যায় চিলে।

    এর পর ৬৫ মিনিট পর্যন্ত ম্যাচে চিলেই এগিয়ে ছিল। কিন্তু ৬৬তম মিনিটে আর্তুরো বিদালের আত্মঘাতী গোলে সমতা ফেরায় উরুগুয়ে। তবে গোটা ম্যাচে উরুগুয়েরই দাপট বেশি ছিল। তাই একদম হেরে গেলে অবাক হতেই হত।

    ১০ম ম্যাচ: কোলোম্বিয়া (১) পেরু (২)

    ব্রাজিলের বিরুদ্ধে নাকানিচোবানি খাওয়া পেরু চমক দিল কোলোম্বিয়াকে হারিয়ে দিয়ে। কোপা আমেরিকার দশম ম্যাচে এমনই কাণ্ড ঘটিয়ে দিল তারা। তবে ইউরো রোগ কোপাতেও লেগেছে। এই ম্যাচেও একটু আত্মঘাতী গোল হয়েছে।

    এ দিন, ম্যাচ শুরুর ১৭ মিনিটের মাথায়ই পেরুকে এগিয়ে দেন সের্খিও পেনা। গোল খেয়ে ম্যাচে প্রবল ভাবে ফিরে আসার চেষ্টা করে কোলোম্বিয়া। বার বার আক্রমণ শানাতে থাকে বিপক্ষ শিবিরের গোলে। অবশেষে ৫৩ মিনিটে তাদের ভাগ্য প্রসন্ন হয়। যদিও সেটা ছিল পেনাল্টি। কিন্তু মিগুয়েল বোর্খা বিপক্ষের জালে বল জড়াতে কোনো ভুলচুক করেননি। যদিও, এর ৯ মিনিট পরেই চূড়ান্ত ধাক্কা খায় কোলোম্বিয়া শিবির। তাদের ইয়েরি মিনা নিজেদের জালেই বল ঢুকিয়ে দেয়। ফলে ২-১-এ লিড পেয়ে যায় পেরু।

    তবে গোটা ম্যাচে কী ভাবে দাপট নিয়ে কোলোম্বিয়া খেলেছিল, সেটা তাদের পরিসংখ্যান দেখেই প্রমাণিত হয়ে যায়।

    ৯ম ম্যাচ: একুয়াদোর (২) ভেনেজুয়েলা (২)

    হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ম্যাচে একুয়াদোরের বিরুদ্ধে ২-২ গোলে শেষ করল ভেনেজুয়েলা। টুর্নামেন্টের নবম ম্যাচে গোলের খাতা খোলে একুয়াদোর। ৩৯তম মিনিটে আইরতোন প্রেসিয়াদোর গোলে এগিয়ে যায় তারা। ১২ মিনিটের মাথায় সমতা ফেরায় ভেনেজুয়েলা। একুয়াদোরের গোলে বল জড়িয়ে দেন এদসোন কাস্তিয়ো। ৭১ মিনিটে ফের এগিয়ে যায় একুয়াদোর। গোল করেন গোঞ্জালো প্লাতা। ম্যাচটা একুয়াদোরের দখলেই চলে যেত যদি না অন্তিম লগ্নে সমতা ফেরাত ভেনেজুয়েলা। অতিরিক্ত সময়ের প্রথম মিনিটে একুয়াদোরের জালে বল জড়িয়ে দেন রোনাল্‌দ এর্নান্দেজ।

    ৮ম ম্যাচ: আর্জেন্তিনা (১) উরুগুয়ে (০)

    আয়োজক দেশ ব্রাজিল টুর্নামেন্টের প্রথম দুটো ম্যাচ যে দাপটের সঙ্গে খেলেছে, ওই রকম দাপট তাদের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্তিনার মধ্যে দেখা যায়নি ঠিকই, তবে তারা কাজের কাজটি করে দিয়ে যায়। বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ে নবম স্থানে থাকা উরুগুয়েকে ১ গোলে হারিয়ে কোপা আমেরিকার গ্রুপ ‘বি’র পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষেই থাকল বিশ্ব র‍্যাকিংয়ে অষ্টম স্থানে থাকা আর্জেন্তিনা।

    এ দিন ম্যাচ শুরুর ১৩ মিনিটের মাথাতেই আর্জেন্তিনাকে এগিয়ে দেন গুইদো রোদরিগেজ। তার পর থেকে একাধিক সুযোগ তৈরি করতে পারলেও গোলের মুখ আর দেখতে পারেনি আর্জেন্তিনা। তবে এ দিন সাদা নীল জার্সিধারীদের ডেফিন্স মারাত্মক শক্তিশালী ছিল। সেই প্রাচীর ভেদ করে গোলে একটাও শট নিতে পারেনি উরুগুয়ে।

    ৭ম ম্যাচ: চিলে (১), বোলিবিয়া (০)

    চূড়ান্ত দাপট দেখিয়ে বোলিবিয়াকে পরাস্ত করল চিলে। খেলার ফল চিলের পক্ষে ১-০ হলেও ম্যাচে আরও একাধিক গোল করতে পারত তারা। ম্যাচ শুরুর দশ মিনিটের মাথয় বেন বেরেতোনের গোলে এগিয়ে যায় চিলে। তার পর ক্রমাগত দাপটের জালই বিস্তার করে গিয়েছে তারা।

    গোল ছাড়াও গোলে ১১টা শট নিয়েছিল চিলে। গোটা ম্যাচে ৬২ শতাংশ বল দখলে রেখেছিল তারা। এই জয়ের পর গ্রুপ ‘বি’র লড়াইয়ে চার পয়েন্ট পেয়ে আপাতত লিগ শীর্ষে থাকল চিলে।

    ৬ষ্ঠ ম্যাচ: ব্রাজিল (৪) পেরু (০)

    কোপা আমেরিকায় দ্বিতীয় ম্যাচেও বড় জয় পেল ব্রাজিল। পেরুকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিলেন নেমাররা। ২ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ শীর্ষে আয়োজক দেশ ব্রাজিলই।

    প্রথমার্ধে ব্রাজিলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন অ্যালেক্স সান্দ্রো। ১২ মিনিটের মাথায় গোল করেন তিনি। নেমারের ক্রস আসে গ্যাব্রিয়াল জেসুসের কাছে। দ্বিতীয়ার্ধে পেরুকে ছিন্নভিন্ন করে দেন নেমাররা।

    ৬৮ মিনিটের মাথায় ফ্রেডের পাস থেকে গোল করেন নেমার। ডান পায়ের গড়ান শটে গোল করেন তিনি। ৮৯ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান এভারটন রিবেইরো। রিচার্লিসনের পাস এবং তাঁর গোল। কিছুক্ষণের মধ্যে স্কোরশিটে নাম তোলেন রিচার্লিসনও। অতিরিক্ত সময় গোল করেন তিনি।

    ৫ম ম্যাচ: কোলোম্বিয়া (০), ভেনেজুয়েলা (০)

    এ দিকে, টুর্নামেন্টের পঞ্চম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল কোলোম্বিয়া এবং ভেনেজুয়েলা। তবে গোলের মুখ দেখতে পারেনি কোনো দলই। দুই ম্যাচ থেকে চার পয়েন্ট নিয়ে আপাতত গ্রুপ ‘এ’-তে দু’নম্বর স্থানে রয়েছে কোলোম্বিয়া।

    ৪র্থ ম্যাচ: পারাগুয়ে (৩), বোলিবিয়া (১)

    টুর্নামেন্টের চতুর্থ ম্যাচে বোলিবিয়াকে উড়িয়ে দিল পারাগুয়ে। ম্যাচের প্রথম দশ মিনিটের মাথাতেই গোল করে এগিয়ে যায় বোলিবিয়া। তবে এ ক্ষেত্রে পেনাল্টি পেয়েছিল তারা। সুযোগ নষ্ট করেননি বোলিবিয়ার এরউইন সাবেন্দ্রা।

    এর পর ৬২ মিনিট পর্যন্ত ম্যাচে এগিয়ে ছিল বোলিবিয়া। কিন্তু ৬২ মিনিট থেকে ম্যাচে ঝড় তুলল পারাগুয়ে। ওই মিনিটে গোল শোধ করে ম্যাচে সমতা ফেরান পারাগুয়ের আলেখান্দ্রো রোমেরো। এর ঠিক তিন মিনিটের মাথায় পারাগুয়েকে এগিয়ে দেন আনখেল রোমেরো। ১৫ মিনিট পর পারাগুয়ের হয়ে জয়সূচক গোলটি করেন আনখেল।

    ৩য় ম্যাচ: আর্জেন্তিনা (১), চিলে (১)

    আন্তর্জাতিক ফুটবলে বার বার আর্জেন্তিনাকে আটকে দেয় চিলে। সেই ঘটনারই পুনরাবৃত্তি হল সোমবার। চিলের প্রাচীন আরও একবার ভেদ করতে পারল না সাদা-নীল জার্সিধারীরা। তবে এই ম্যাচেও দেখা গেল লিওনেল মেসির পায়ের জাদু। ফ্রি কিক থেকে অনবদ্য একটি গোল করলেন তিনি।

     ৩২ মিনিটে ফ্রি কিক পায় আর্জেন্তিনা। চিলের বক্সের ঠিক বাইরে থেকে বাঁ পায়ে অনবদ্য ফ্রি কিক মারেন আর্জেন্তিনার অধিনায়ক। মেসির শট ডানদিকে বাঁক খেয়ে একেবারে পোস্ট আর ক্রসবারের কোণ দিয়ে গোলে ঢুকে যায়।

    ম্যাচের ৫৪ মিনিটের মাথায় পেনাল্টি পায় চিলে। সেখান থেকে গোল শোধ করে তারা।

    ২য় ম্যাচ: কোলোম্বিয়া (১) বনাম একুয়াদোর (০)

    কোপা আমেরিকার দ্বিতীয় ম্যাচে কষ্টার্জিত জয় পেল কোলোম্বিয়া। একুয়াদোরকে তারা ১-০ গোলে হারালেও ম্যাচে বেশি দেখাল একুয়াদোরই। বিশ্বকাপার কোলোম্বিয়ার হয়ে ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেন এদউইন কারদোনা। ৪২ মিনিটে গোল করেন তিনি।

    তবে বল দখলের লড়াইয়ে একুয়াদোর অনেক এগিয়ে ছিল- ৫৯ শতাংশ। এমনকি গোলের উদ্দেশে শট নেওয়ার ক্ষেত্রেও কোলোম্বিয়ার (৫) থেকে এগিয়ে ছিল একুয়াদোর (৮)। কোলোম্বিয়ার ৩৬৫টা পাসের বিরুদ্ধে একুয়াদোর খেলেছিল ৪৬৭টা পাস।

    ১ম ম্যাচ: ব্রাজিল (৩) বনাম ভেনেজুয়েলা (০)

    কোভিডে জর্জরিত দুর্বল ভেনেজুয়েলাকে কার্যত উড়িয়ে দিয়ে কোপা আমেরিকা অভিযান শুরু করল ব্রাজিল। বিপক্ষকে তারা হারাল ৩-০ গোলে। রবিবার, টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচের প্রথমার্ধেই ব্রাজিলের আধিপত্য দেখতে পাওয়া যায়। ২৩ মিনিটে ব্রাজিলকে ১-০ গোলে এগিয়ে দেন দলের ডিফেন্ডার মারকুইনোজ। এর পর ৬১ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করেন নেইমার। ৮৯ মিনিটে ভেনেজুয়েলার কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন গ্যাব্রিয়েল বারবোসা।

    টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যচে এই দাপুটে জয় দিয়ে শুরু করে ব্রাজিল বুঝিয়ে দিল ঘরের মাঠে আয়োজিত এই টুর্নামেন্ট জয়ের অন্যতম দাবিদার তারাই

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here

    This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

    - Advertisement -

    আপডেট খবর