dikafinal

মোহনবাগান – ৫ (ডিকা হ্যাটট্রিক, তীর্থঙ্কর, কিমকিমা)             এফসিআই – ০

ওয়েবডেস্ক: বরাবর ডার্বির পরেই ম্যাচেই বড়ো দলগুলির খেলার মধ্যে একটা জড়তা দেখা যায়। যার ফলে খাতায় কলমে অনেকটা দুর্বল প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে খারাপ ফলের নমুনা অতীতে বহুবার পাওয়া গিয়েছে। এদিন এফসিআইয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচের শুরুটা তেমনই করেছিল মোহনবাগান। অবশ্য শেষমেশ কোনো বিপদ হয়নি। হয়েছে গোলের বর্ষণ। ডিকার হ্যাটট্রিক। আবার লিগে পাঁচ গোল করল মোহনবাগান।

ম্যাচের শুরুতে অনেকটাই ছন্নছাড়া সবুজ-মেরুন। মাঝমাঠে পাসিংয়ের অভাব। সঙ্গে মিস পাস। একইসঙ্গে নিজেদের সাধ্যমতো লড়াই করল এফসিআইও। তবে সুযোগ পায়নি শঙ্করলালের ছেলেরা তা নয়। ম্যাচের ছয় মিনিটেই সুযোগ কার্যকর করতে ব্যর্থ হন বড়ো ম্যাচের গোলদাতা হেনরি। সুযোগ পেয়েছিলেন আজহারউদ্দিনও তবে সদ্ব্যবহার করতে পারেননি। যখন মনে হচ্ছিল বিরতিতে গোলশূন্য শেষ করবে গঙ্গাপারের ক্লাবটি। ঠিক তখনই পটপরিবর্তন। প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে ফ্রিকিক থেকে বল নিজের আয়ত্তে রাখতে ব্যর্থ হন বিপক্ষ গোলকিপার। সেই বলকে ফলো করেই প্রথম গোল ডিকার।

বড়ো দল যখন একটা গোল পেয়ে যায় তখন মানসিক ভাবে তাদের চাঙ্গা হয়ে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। দ্বিতীয়ার্ধে সেটাই হল। সঙ্গে পরিবর্তিত খেলোয়াড় পিন্টু মাহাতো। মুহুর্মুহু আক্রমণ শানাতে থাকে সবুজ-মেরুন। এই অর্ধেও মিস হেনরির। ডিকার সঙ্গে তিনিও হয়তো হ্যাটট্রিক পেয়ে যেতেন। চাপ রাখার ফল ৬২ মিনিটে নিজের এবং দলের হয়ে দ্বিতীয় গোল ডিকার। মিনিট খানেকের মধ্যেই হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন তিনি। এর মিনিট দুয়েক বাদে ডিকাকে ইচ্ছাকৃত ফাউল করায় লাল কার্ড দেখেন এফসিআইয়ের লক্ষ্মীকান্ত। সেই ফ্রিকিক থেকে দলের হয়ে চতুর্থ গোল তীর্থঙ্করের। ম্যাচের শেষ দিকে কর্নার থেকে বিপক্ষ কফিনে শেষ পেরেকটি পোঁতেন কিমকিমা।

লিগের শীর্ষেই ছিল মোহনবাগান। এই ম্যাচ জিতে গোলপার্থক্য আরও মজবুত করে নিলেন শঙ্করলালের ছেলেরা।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন