santosh trophy

বাংলা – ২ ( জিতেন, তীর্থঙ্কর )  কর্নাটক – ০

ওয়েবডেস্ক: সন্তোষ ট্রফির ফাইনালে গত বারের চ্যাম্পিয়ন বাংলা। এ দিন ঘরের মাঠে তারা ২-০ ব্যবধানে হারাল কর্নাটককে।

প্রথমার্ধে কিন্তু আধিপত্য ছিল কর্নাটকেরই। ৩ মিনিটে প্রথম শট নেয় তারা। তবে গোল হয়নি। ৫ মিনিটে প্রথমার্ধের সহজ মিস দক্ষিণের রাজ্যটির। ফাঁকা গোলে বল ঢোকাতে ব্যর্থ তারা। এর পর ফের শট নেন, তাঁদের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় বিগনেশ। তবে গোল-মুখ খুলতে পারেননি। চাপে পড়ে প্রতি-আক্রমণে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে বাংলা। তবে মাঝমাঠ ক্রমশ নিজেদের মুঠোয় করে নেয় কর্নাটক। প্রথমার্ধের ২৫ মিনিটে প্রথম গোলের সুযোগ তৈরি করে বাংলা। তীর্থঙ্কর সরকারের ফ্রি-কিক একটুর জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৪০ মিনিটে বাংলা গোলকিপার রনজিৎ মজুমদারের দক্ষতায়, প্রথমার্ধে গোলশূন্য ভাবেই শেষ করে বাংলা।

তবে দ্বিতীয়ার্ধে সম্পূর্ণ আলাদা বাংলাকে দেখা যায়। প্রথম থেকেই আক্রমণ শানাতে থাকে তারা। ৪৯ মিনিটে তীর্থঙ্করের শট বাইরে। এর রেশ কাটতে না কাটতেই ফের শট নেন দলের অন্যতম ভরসা বিদ্যাসাগর। তবে তা কর্নাটক গোলকিপারের হাতে প্রতিহত হয়। ক্রমাগত আক্রমণ চালিয়ে যেতে থাকে বাংলা। তার ফলও পেয়ে যায় তারা কিছুক্ষণের মধ্যে। ৫৭ মিনিটে বাংলাকে এগিয়ে দেন জিতেন মুর্মু। অনবদ্য গোল করেন তিনি। এর পরও আক্রমণ বাড়াতে থাকে তারা। গোল শোধের জন্য কর্নাটকও আক্রমণের চেষ্টা করে। কিন্তু বাংলা ডিফেন্ডারদের দক্ষতায় তা কার্যকর হয়নি। খেলার অতিরিক্ত সময়ে ফ্রি-কিকে নেওয়া বিশ্বমানের গোলে কর্নাটক কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন দলের অন্যতম স্তম্ভ তীর্থঙ্কর সরকার।

এই জয়ের ফলে ৭২ তম সন্তোষ ট্রফির ফাইনালে বাংলা মুখোমুখি হবে কেরলের। যারা অপর সেমিফাইনালে এক গোলের ব্যবধানে হারিয়েছে মিজোরামকে।

জয়ের পর কোচ রঞ্জন চৌধুরী জানানা, “ঘরের মাঠে ট্রফি ছাড়া আর কিছু ভাবছি না”।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here