bng-super

ইস্টবেঙ্গল – ১          বেঙ্গালুরু এফসি – ৪

ওয়েবডেস্ক: কলিঙ্গের চূড়ায় প্রথম সুপার কাপ জয় বেঙ্গালুরু এফসির। পিছিয়ে থেকেও তারা হারাল ইস্টবেঙ্গলকে। এ দিন শুরু থেকেই আগ্রাসী মনোভাব দেখাল বেঙ্গালুরু। প্রতি-আক্রমণে আসতে থাকে ইস্টবেঙ্গলও। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত খেলার মান ঊর্ধ্বমুখী হলেও, রেফারির মান ভারতবর্ষে যে এখনও নিম্নমুখী তা ফের প্রমাণ হল। প্রতি-আক্রমণে উঠে আসা ইস্টবেঙ্গলের বিদেশি ক্রোমাকে ইচ্ছাকৃত ফাউল করেন বেঙ্গালুরু গোলকিপার গুরপ্রিত। বক্সের বাইরে এসে তাঁর বুকে পা তুলে দেন। রেফারি তা দেখেও লাল কার্ডের বদলে হলুদ কার্ড দেখান। একই সঙ্গে হলুদ কার্ড দেখানো হয় বেঙ্গালুরু ডিফেন্ডার জনসনকেও। তবে পরে তা বাতিল করে দেন। আপ্রফ্রন্টে এ দিন ডুডুর জায়গায় সারা মাঠ জুড়ে খেলার চেষ্টা করলেন ক্রোমা।

ebsprcup

 

তবে ম্যাচ যত এগোতে থাকে আক্রমণে নিজেদের বৈচিত্র্য আনতে থাকে বেঙ্গালুরু। সৌজন্যে সুনীল ছেত্রী এবং রাহুল বেকে। সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন তাঁরা। এরই মাঝে প্রতি-আক্রমণে এসে গোল ইস্টবেঙ্গলের। কাতসুমির নেওয়া কর্নার থেকে ব্যাকভলিতে লালহলুদকে এগিয়ে দেন ক্রোমা। তবে বিরতিতে যাওয়ার আগে নাটক আরও বাকি ছিল। প্রথমে বেঙ্গালুরুর হয়ে সমতা ফেরান ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তনী রাহুল বেকে। এর মিনিট খানেকের মধ্যেই প্রথমার্ধের সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেন বেঙ্গালুরুর ভিক্টর পেরেজ। শুধু এখানেই নয়, অতিরিক্ত সময়ে শুভাশিসকে ইচ্ছাকৃত মুখে মারার ফলে লাল কার্ড দেখেন ইস্টবেঙ্গলের সামাদ, ফলে দশজনে হয়ে বিরতিতে যায় ইস্টবেঙ্গল।

দ্বিতীয়ার্ধে শুরু থেকেই আক্রমণ দু’দলের। দশ জনে খেলেও গোলের মুখ খুলে ফেলেছিল ইস্টবেঙ্গল। তবে অফসাইডের জন্য বাতিল হয়ে যায় ক্রোমার গোল। আমনার বিপজ্জনক ফ্রি-কিক বাঁচিয়ে দেন গুরপ্রিত। তবে ধীরে ধীরে ম্যাচে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতে থাকে বেঙ্গালুরু। ফের সুযোগ পান পেরেজ, তবে তা কার্যকর হয়নি। ক্রমাগত আক্রমণের ফসল অবশেষে পেয়ে যায় আইএসএল রানার্স বেঙ্গালুরু। বক্সের মধ্যে ইস্টবেঙ্গল ডিফেন্ডার গুরবিন্দর ইচ্ছাকৃত বলে হাতে লাগালে পেনাল্টি দিতে ভোলেননি রেফারি। ম্যাচে প্রথম বারের জন্য বেঙ্গালুরুকে এগিয়ে দেন অধিনায়ক সুনীল ছেত্রী।

bfcsupercup

এর রেশ কাটতে না কাটতেই ফের গোল তাদের। সৌজন্যে দলের প্রাণভোমরা মিকু। একক দক্ষতায় বেঙ্গালুরুর হয়ে ব্যবধান বাড়ান টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়। কার্যত ম্যাচ থেকে বেরিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে ইস্টবেঙ্গল কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন বেঙ্গালুরু এবং জাতীয় দলের অধিনায়ক সুনীল ছেত্রী।

 

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here