dudu nets four goals

ইস্টবেঙ্গল-৭ (ডুডু ৪, আমনা ১, গ্যাব্রিয়েল ১, রাভানন- নিজগোল)    চেন্নাই সিটি এফসি-১ (মাসুর)

কলকাতা: বসন্তের দুপুরে যুবভারতীতে গোলের বন্যা ইস্টবেঙ্গলের।

মাঝে একটা গোল করেছিলেন বটে। কিন্তু ডুডুকে নিয়ে সমালোচনা শেষ হচ্ছিল না লালহলুদ সমর্থকদের।  শনিবার ঘরের মাঠে দুর্বল চেন্নাইকে পেয়ে সব সমালোচনার জবাব দেওয়ার চেষ্টা করলেন ডুডু ওমাগবেনি। করলেন হ্যাটট্রিক সহ চার গোল। তাঁর দাপটে এ বারের আই লিগে সব চেয়ে বড়ো ব্যবধানে জয় পেল খালিদের দল। মিনের্ভাকে ছাপিয়ে উঠে এল দুই নম্বরে।

এ দিনের ম্যাচে দলে কিছুটা বদল করে শুরু করে লাল-হলুদ। বহু দিন বাদে শুরু করেন চোট থেকে ফিরে আসা গুরবিন্দর সিং। ১৯ মিনিটে প্রথম গোল আল-আমনার। প্রথম দু’বারের চেষ্টায় না হলেও তৃতীয় বারে বল গোলে ঢোকাতে ভুল করেননি তিনি। খেলার ২৩ মিনিটে চুলভার ক্রসে আত্মঘাতী গোল করে যান বর্ষীয়ান রাভানন। খেলার ৩২ মিনিটে দিনের সহজতম গোলটি করে যান বর্ষীয়ান স্ট্রাইকার ডুডু। প্রথমার্ধে খেলার ফল ৩-০।

প্রথমার্ধ যেখানে শেষ করেছিল ইস্টবেঙ্গল, ঠিক সেখান থেকেই যেন দ্বিতীয়ার্ধ শুরু করে তাঁরা। ৪৯ মিনিটে ডান পায়ের শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন ডুডু। সেখানেই থামেননি। ৫৬ মিনিটে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন ভারতে খেলা অন্যতম সেরা এই বিদেশি। কিন্তু ৫৮ মিনিটে খেলার বিরুদ্ধে গিয়ে চেন্নাইয়ের ব্যবধান কমান মাসুর। খেলার ঠিক ৬০ মিনিটে কর্নার থেকে আসা বলে বুদ্ধিদীপ্ত ভাবে নিজের চতুর্থ গোলটি করেন ডুডু ওমাগবেমি। ৮৩ মিনিটে আমনার জায়গায় আসেন পরিবর্তিত জাস্টিন, তার ঠিক কিছুক্ষণের মাথায় আরও একটি গোল করেন গাব্রিয়েল।

সমালোচনায় বিধ্বস্ত ইস্টবেঙ্গল শিবির এ দিনের বড়ো জয়ে যে শেষ দু’টি ম্যাচের জন্য বাড়তি অক্সিজেন পাবে, তা বলাই বাহুল্য।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন