সারা রাত জেগে মাঠে নেমেও হার এড়ালো লাল-হলুদ ব্রিগেড

0

মিনার্ভা পাঞ্জাব- ১ (ড্যানিলো) :: ইস্টবেঙ্গল- ১ (হুয়ান মেরা)

লুধিনায়া: সারা রাত কার্যত না ঘুমিয়ে মাঠে খেলতে নেমে কোনো দলই নিজের সেরাটা দিতে পারবে না। ফলে শনিবার যদি ইস্টবেঙ্গল হেরেও যেত, তা হলেও কারও কিছু বলার থাকত না। কিন্তু সেটা হয়নি। ১ গোলে পিছিয়ে গিয়েও, ম্যাচ শেষে কিছুটা আগে খুয়ান মেরার গোলে সমতা ফেরাল লাল-হলুদ।

চরম অপেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়ে ইস্টবেঙ্গল দল লুধিয়ানা পৌঁছেছিল শুক্রবার রাত ১টায়, তাও আবার ট্রেনে। নয়াদিল্লি স্টেশনে দাঁড়িয়ে ইস্টবেঙ্গল ডিফেন্ডার মার্তি ফেসবুককে লাইভ ভিডিও করে বলেন, “আমরা জানি না কখন লুধিয়ানা পৌঁছব। আমরা যন্ত্র নই, মানুষ। মাঝরাতে পৌঁছে কোনো বিশ্রাম না নিয়ে ভালো ফুটবল খেলা কোনোমতেই সম্ভব নয়। তবুও জেতার চেষ্টা করব।”

সারা রাত জেগে দুপুর দুটোয় মাঠে নেমে স্বাভাবিক ভাবেই ক্লান্তি গ্রাস করেছিল ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারদের। তবুও সেই ক্লান্তিকে জয় করার যথেষ্ট চেষ্টা তাঁরা করেছিলেন।

ম্যাচের ১৩ মিনিটেই এগিয়ে যায় পঞ্জাব এফসি। সঞ্জুর ফ্রি কিক থেকে হেডে গোল করে যান পঞ্জাব এফসির ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার ড্যানিল। ম্যাচ শেষ হওয়ার মাত্র ৬ মিনিট আগে গোল পরিশোধ করেন গত ম্যাচের সেরা জুয়ান মেরা। পঞ্জাবের ডিপান্ডা ডিকা বেশ কিছু গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন, কিন্তু গোল করতে ব্যর্থ। গোল করতে ব্যর্থ লাল হলুদের মার্কোসও।

তবে শুধু ক্লান্তিই নয়, গুরুনানক স্টেডিয়ামের মাঠও ইস্টবেঙ্গলের এ হেন খেলার পেছনে একটা কারণ। হার্ড মাঠ। বল নিয়ন্ত্রণে আনতে সমস্যা হচ্ছিল লাল হলুদ ফুটবলাদের। এই কারণে চোট পেয়ে স্ট্রেচারে মাঠ ছাড়লেন নাওরেম।

বেশ কিছু সিদ্ধান্ত তাদের বিরুদ্ধে যাওয়ায় ম্যাচ শেষে রেফারিকে ঘিরে ধরেন মার্কোসরা। শনিবার তারা ড্র করায় তাদের ২ ম্যাচে ২ পয়েন্ট। পাঞ্জাব এফসি ২ ম্যাচে ১ পয়েন্ট।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.