eb2

ইস্টবেঙ্গল – ৩                        মোহনবাগান – ২ 

ওয়েবডেস্ক: ২০১৫-র পর ফের ডার্বির রং লাল-হলুদ। রবিবার আই লিগের প্রথম ডার্বিতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগানকে হারাল ইস্টবেঙ্গল। যদিও সারা ম্যাচ বল পজেশনে অনেকটাই এগিয়ে ছিল সবুজ-মেরুন বাহিনী। দ্বিতীয়ার্ধে ১০ জনে খেলেও, আধিপত্য বেশি মোহনবাগানের। তবে ফুটবলে গোলই শেষ কথা বলে। এই জয়ের ফলে লিগ তালিকায় পঞ্চম স্থানে উঠে এল লাল-হলুদ।

প্রথমার্ধের শুরু থেকেও চাপ বেশি মোহনবাগানের। যার ফল ১২ মিনিটের মাথায় ওমরের মাপা বলে দলকে লিড দেন আজহাররুদ্দিন। তবে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি ইস্টবেঙ্গলকে। চার মিনিটের মাথায় গোল শোধ তাদের। গোল ড্যান মাভিয়ার। তবে এ ক্ষেত্রে তিনি অফসাইডে ছিলেন কি না সে বিষয়ে নিয়ে কথা-তর্ক থেকেই যাবে। এ দিন অবশ্য ইস্টবেঙ্গল জার্সিতে পাস মার্কস পেতেই পারেন নতুন খেলোয়াড় কোলাডো।

সমতা ফিরিয়ে চাপ বাড়ায় ইস্টবেঙ্গল। যার ফল বিরতিতে যাওয়ার মিনিট দুয়েক আগে ম্যাচে লিড ইস্টবেঙ্গলের। গোল করেন জবি জাস্টিন। তবে প্রথমার্ধে বক্সে ডিকাকে ফাউল করায় অ্যাডভান্টেজ পেতেও পারত মোহনবাগান কিন্তু রেফারি তাতে কর্ণপাত করেননি।

দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য পুরোটাই মোহনবাগান। তবে এই অর্ধে দ্বিতীয়বার হলুদ কার্ড দেখার জন্য লাল কার্ড দেখেন মোহন ডিফেন্ডার কিংসলে। ম্যাচে মোহন জার্সিতে বেশ নজর কাড়েন ওমর। তবে দলের স্বার্থে তাঁকে বসে যেতে হয়।

ফাউল থেকে পাওয়া ফ্রিকিকেই দল এবং নিজের হয়ে দ্বিতীয় গোল ড্যান মাভিয়ার। যখন মনে হচ্ছিল মোহনবাগান ১০ জনে খেলে চাপে পড়ে যাবে। তখন চিত্রটা কিন্তু উল্টো। অলআউট ঝাঁপায় মোহনবাগান। যার ফল ডিকার গোল। ৭৫ মিনিটে। এই অর্ধেও পেনাল্টি পেতে পারতো মোহনবাগান। বোরহা-র হাতে বল লাগে। তবে রেফারি দৃষ্টিপাত করেননি।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here