quessebfinal

ইস্টবেঙ্গল – ৩                     পাঠচক্র – ০ 

ওয়েবডেস্ক: বাংলায় একটা প্রবাদ আছে, সকালটা দেখলে বোঝা যায় দিনটা কেমন যায়। মঙ্গলবারের ইস্টবেঙ্গল ম্যাচ সম্পর্কে এ কথাই বলা যায়। স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে জয় পেয়ে স্বস্তি লাল-হলুদ শিবিরে। কাস্টমসের কাছে আটকে গিয়ে একটা মানসিক চাপের মধ্যে যে তারা ছিল তা গত ম্যাচের শেষেই উপলব্ধি করা গিয়েছিল। দর্শকরাও ক্ষুব্ধ। মঙ্গলবার অবশ্য সেই চাপ মাথায় নিয়েই প্রথম থেকে আক্রমণে ঝাঁপায় সুভাষ ভৌমিকের ছেলেরা। প্রথম থেকেই তাঁদের মধ্যে একটা সমন্বয় লক্ষ করা যাচ্ছিল। উইংকে কাজে লাগিয়ে আক্রমণ, যা ম্যাচের শেষ পর্যন্ত লক্ষ করা গেল। অন্য দিকে সারা ম্যাচ ডিফেন্স করা ছাড়া কোনো উপায় ছিল না পাঠচক্রের।

ম্যাচের পনেরো মিনিটে প্রথম গোল। জবি জাস্টিনের জোরালো হেডার। ক্রমাগত চাপের ফলে ফের গোল পেয়ে গিয়েছিল তারা। কিন্তু ইস্টবেঙ্গলের তারকা বিদেশি আল আমনার শট বাঁচান পাঠচক্রের গোলকিপার। তবে দ্বিতীয় গোলের জন্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি লাল-হলুদ শিবিরকে। বিরতিতে যাওয়ার মিনিট পাঁচেক আগে বক্সে হ্যান্ডবল করেন পাঠচক্রের মনোতোষ। ফলে পেনাল্টি থেকে বিরতিতে লাল-হলুদের হয়ে ব্যবধান বাড়ান সারা ম্যাচে নজরকাড়া রালতে।

দ্বিতীয়ার্ধেও চিত্রটা এক। প্রথম থেকেই আক্রমণ মশালবাহিনীর। নিজের দ্বিতীয় গোল পেয়ে যেতেন রালতে। কিন্তু তাঁর শট লক্ষ্যভ্রষ্ট। প্রথম থেকে মাঝমাঠকে একার দায়িত্বে নেতৃত্ব-দেওয়া আমনা দ্বিতীয়ার্ধে গোল পেয়েই যেতেন। কিন্তু তাঁর ফ্রি-কিক একটুর জন্য বাইরে। বড়ো দলের বিরুদ্ধে যদি নিম্ন মানের বিদেশি দলে থাকে তা হলে ভালো ফল আশা করা যায় না। যা আজকের ম্যাচের পর ভালোই বুঝল পাঠচক্র। তবে ৭৩ মিনিটে নিজেদের প্রথম সুযোগ পায় তারা। কিন্তু সঠিক সময়ে মাথায়-বলে সংযোগ করতে ব্যর্থ তাদের বিদেশি নাকামুরা। ক্রমাগত চাপ রাখার ফলে ম্যাচে শেষ হওয়ার মিনিট বারো আগে নিজের দ্বিতীয় এবং দলের হয়ে তৃতীয় গোল সেই জাস্টিনের।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন