কলকাতা: বরাবরের ট্র্যাডিশন পয়লা বৈশাখে বারপুজোর দিন নতুন মরশুমের অধিনায়কের নাম ঘোষণা করে ইস্টবেঙ্গল। বেশিরভাগ ভারতীয় ফুটবলার এবার দল ছেড়ে দেওয়ায় অধিনায়ক কে হবেন, তা নিয়ে আগ্রহ ছিল সমর্থক মহলে। তবে অন্যথা হল না। প্রথা মেনে এবারও বারপুজোর দিনেই পরের মরশুমের অধিনায়কের নাম ঘোষণা করলেন ক্লাবের অন্যতম শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার।

কিন্তু যে নামটি ঘোষণা করলেন, তা নিয়ে বিষ্ময় তৈরি হয়েছে ওয়াকিবহাল মহলে। দেবব্রতবাবুর ঘোষণা অনুযায়ী এ মরশুমে ইস্টবেঙ্গলের অধিনায়ক অধিনায়ক হবেন কেভিন লোবো। কারণ ভারতীয় ফুটবলারদের মধ্যে তিনিই সবচেয়ে সিনিয়র। কিন্তু বেশ কিছুদিন হল ময়দানে খবর ছড়িয়ে গেছে, আগামী মরশুমে লোবোর এটিকে-তে খেলা পাকা। তাহলে কী ভাবে লালহলুদের অধিনায়ক হবেন তিনি? দেবব্রতবাবু অবশ্য বলছেন, “কী হবে না হবে পরে দেখা যাবে, আপাতত লোবোই আমাদের অধিনায়ক”। তবে একথা বলাই যায়, লোবোর সঙ্গে কথা না বলে বা চুক্তির বিষয়টা মোটামুটি পাকা না করে কি আর তাঁকে অধিনায়ক বাছবেন লালহলুদ কর্তারা। সেক্ষেত্রে তো লোকহাসানোর ব্যাপার হয়ে যায়। অতএব হয়তো লোবো এ বমরশুমে লালহলুদেই থাকছেন।

আর যদি তা না হয়। লোবো যদি চলে যান, তাহলে কে হতে পারেন ইস্টবেঙ্গল অধিনায়ক? লোবোর পরেই যিনি সবচেয়ে সিনিয়র ফুটবলার ছিলেন ইস্টবেঙ্গলের, সেই ব্যারেটোকে এবার লালহলুদ ছেড়ে দিচ্ছে। তারপর? সেই নামটা শুনলে ঘোড়াও হাসবে। কৌশক সরকার। প্রথম আঠেরোতেও জায়গা না পাওয়া এই স্টপারই তখন হবেন লালহলুদের সবচেয়ে সিনিয়র ভারতীয় ফুটবলার। দু বছর আগে সাই থেকে তিনি ইস্টবেঙ্গলে যোগ দিয়েছিলেন।

দেখা যাক, শেষ অবধি কী হয়?

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here