ইস্টবেঙ্গল-১(রফিক)      গোকুলম এফসি-০

কলকাতা: ভালো কথা য়া বলার ছিল, তা শিরোনামেই বলা হয়ে গেছে। এছাড়া গোকুলমের বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গলের খেলা নিয়ে কিছু না বলাই ভালো। গোকুলম দলটা নেহাতই ভারে এবং অভিজ্ঞতায় ইস্টবেঙ্গলের থেকে অনেকটা পিছিয়ে, তাই তাঁরা কলকাতা থেকে পয়েন্ট নিয়ে যেতে পারল না। সত্যি বলতে কি, তিন পয়েন্ট নিয়ে গেলেও অবাক হওয়ার কিছু ছিল না। দলটায় বেশ কয়েকজন স্কিলফুল ফুটবলার রয়েছেন। পুরো দলটারই গতি রয়েছে। তাঁদের কোচ দিনো জর্জ যদি আগেভাগে রক্ষণাত্মক না হয়ে খেলোয়াড়দের মন খুলে খেলতে দিতেন, তাহলে এই ম্যাচের ফলাফল যা খুশি হতে পারত।

কারণ, পুরো সময়টা ছোটো দলের মতো খেলেও কেরলের দলটা যতবার লালহলুদের গোলমুখে পৌঁছেছে, ততবারই ইস্টবেঙ্গল ডিফেন্স নড়বড়ে দেখিয়েছে। গোলকিপারকে একা পেয়েও গোলের সহজ সুযোগ নষ্ট করেছেন গোকুলমের ফুটবলাররা। সেই তুলনায় ইস্টবেঙ্গল কিছু গোলের সুযোগ তৈরি করেছিল কেরলের দলটা ১০ জনে নেমে আসার পর।

চমৎকার ফুটবলার মির্জা কেনো যে কাতসুমিকে অমন একটা বাজে ট্যাকল করে লালকার্ড দেখলেন বোধগম্য নয়। বোধগম্য নয়, গোটা প্রথমার্ধটা ইস্টবেঙ্গলকে প্রায় দাঁড় করিয়ে রেখে, খামোকা বলে টাচ করে কর্নার দেওয়া। ম্যাচের ৪৪ মিনিটে সেই কর্নার থেকে ফিরে আসা বলে শট করেই দলকে জেতালেন রফিক। এদিনের ম্যান অফ দ্য ম্যাচও তিনি।

গোকুলমের ডিফেন্সিভ ফুটবলের জন্য কিনা কে জানে, প্লাজাকে ফের আজ খুঁজে পাওয়া গেল না। বরং আগের দিন গোল পাওয়ায় কিছুটা নড়াচড়া করছিলেন চার্লস। বরং চোখে পড়ল গোকুলমের ফরওয়ার্ড ফ্রান্সিস এবং মোহনবাগানে খেলে যাওয়া কামোকে। দলটা ডিফেন্সিভ না খেললে গোল করতে পারতেন দুজনেই।

শেষ কথা, প্রতিপক্ষের ডিফেন্সিভ ফুটবলের সামনে এদিন আরও একবার আটকে গেলেন আল আমনা। ঊয়স কি তাঁর ফিটনেসে থাবা বসাচ্ছে ধীরে ধীরে?  না হলেই ভালো।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here