আই লিগের লড়াইয়ে ঘরের মাঠে পয়েন্ট ভাগাভাগি ইস্টবেঙ্গলের

যার ফলে বেশ কয়েকবার ম্যাচ থামতে বাধ্য হন রেফারি। তবে প্রথমার্ধে নির্ধারিত সময়ে আগে গেল পেয়েই যেতে পারতো ইস্টবেঙ্গল। তবে দোভালের গোলমুখ শট বিপদমুক্ত করেন চার্চিল কিপার ভাস্কারন

0
eb

ইস্টবেঙ্গল – ১                                   চার্চিল – ১

ওয়েবডেস্ক: আই লিগের খেতাবি লড়াইয়ে ঘরের মাঠে আটকে গেল ইস্টবেঙ্গল। রবিবার যুবভারতীতে চার্চিলের বিরুদ্ধে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে নিল আলেজান্দ্রোর ছেলেরা। দ্বিতীয়ার্ধে পিছিয়ে পরে সমতা ফেরায় লাল-হলুদ ব্রিগেড। ফলে জমে গেল যে লিগের লড়াই সেই নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

প্রথমার্ধে চাপ রেখেই শুরু করে ইস্টবেঙ্গল। তবে প্রতিআক্রমণে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা চালায় গোয়ার দলটি। সুযোগ পেয়েছিলেন তাদের চেস্টার। কিন্তু তাঁর শট বাইরে যায়। তবে প্রথমার্ধে দু’দলের তরফ থেকে আক্রমণের চেয়ে ফাউল বেশি লক্ষ্য করা গেল। যার ফলে বেশ কয়েকবার ম্যাচ থামাতে বাধ্য হন রেফারি। প্রথমার্ধে অবশ্য নির্ধারিত সময়ে আগে গোল পেয়েই যেতে পারতো ইস্টবেঙ্গল। তবে দোভালের গোলমুখ শট বিপদমুক্ত করেন চার্চিল কিপার ভাস্করন। অন্য দিকে ইনজুরি টাইমে চার্চিলের আউচোর ফ্রিকিক একটুর জন্য বাইরে যায়।

দ্বিতীয়ার্ধে গোলের লক্ষ্যে শুরুতে চাপ বাড়ায় চার্চিল। ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরে ইস্টবেঙ্গলও। সুযোগ পেয়েছিলেন এনরিকে। কিন্তু তাঁর শট তেকাঠিতে থাকেনি। এই অর্ধেও দু’দলের তরফ থেকে দেখা গেল ফাউল। অবশ্য ট্যাকটিকাল ফুটবলে ৬৮ মিনিটে চার্চিলকে এগিয়ে দেন লাল-হলুদের প্রাক্তন ফুটবলার প্লাজা। পিছিয়ে পরে চাপ বাড়ায় ইস্টবেঙ্গল। যার ফল খেলা শেষ হওয়ার মিনিট দশেক আগে ফ্রিকিক থেকে গোল করে সমতা ফেরান কাশিম। শেষ দিকে চাপ বাড়ালেও জয়সূচক গোল পায়নি ইস্টবেঙ্গল।

এই ম্যাচের পর ১৬ ম্যাচে ৩২ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে ইস্টবেঙ্গল। অন্য দিকে ১৮ ম্যাচে ৩১ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে চার্চিল। শীর্ষে চেন্নাই সিটি ১৬ ম্যাচে ৩৪ পয়েন্ট।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.