roma-cl

এএস রোমা – ৩            বার্সেলোনা – ০ 

                                   (দুই পর্ব মিলিয়ে   ৪ – ৪  অ্যাওয়ে গোলে জয়ী রোমা)

ওয়েবডেস্ক: বিদায় বার্সেলোনার। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ কোয়ার্টার ফাইনালের দ্বিতীয় লেগে মুখ থুবড়ে পড়ল কাতালান জায়েন্টরা। ঘরের মাঠে বার্সাকে নিয়ে প্রায় ছেলেখেলা করল এএস রোমা। প্রথম লেগে তারা হেরে গিয়েছিল। তাই জয়ের জন্য এদিন প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক শুরু করে হোম টিম। বেশিক্ষণ লাগেনি তাদের গোল পেতে। ম্যাচের মাত্র ছয় মিনিটে এগিয়ে যায় তারা। সৌজন্যে তাদের দলের নির্ভরযোগ্য স্ট্রাইকার এডিন জেকো। গোল পেয়ে আক্রমণ আরও বাড়াতে থাকে রোমা। প্যাটত্রিক সিহিকের হেডার একটুর জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। দ্বিতীয় গোলও পেয়ে যেতেন জেকো। তার গোলার মতো শট ব্যবধান বাড়াতে পারেনি। প্রথমার্ধে সেই ভাবে খুঁজে পাওয়া যায়নি বার্সেলোনার তারকা লিয়নেল মেসিকে। প্রথমার্ধের শেষ দিকে ফ্রি-কিক পায় বার্সেলোনা। তবে এদিন হয়তো গোল করার বুটটি বাড়িতেই রেখে এসেছিলেন তিনি। একমাত্র গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করে রোমা।

romateam-cl

প্রথমার্ধ যে ভাবে শেষ করেছিল রোমা, দ্বিতীয়ার্ধে শুরু থেকেই সেটাই বজায় রাখে তারা। ব্যবধান বাড়ানোর লক্ষ্যে ক্রমাগত আক্রমণ শানাতে থাকে। ৫৬ মিনিটে ব্যবধান বাড়ায় তারা। বক্সের মধ্যে জেকোকে ফাউল করেন, বার্সার নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার পিকে। গোল করতে ভুল করেননি দলের অন্যতম বর্ষীয়ান খেলোয়াড় ডি রসি। যিনি প্রথম লেগে একটি আত্মঘাতী গোল করেছিলেন। এদিন হয়তো সেটাই ফিরিয়ে দিলেন। প্রথম লেগে অ্যাওয়ে গোল ইতিমধ্যেই ছিল। এদিন শুধু দরকার ছিল তিনটি গোল। তাই দুটি গোল পেয়ে আক্রমণ আরও বাড়াতে থাকেন রোমা কোচ ইউসেবিও ডি ফ্রান্সিসকো। ক্রমাগত আক্রমণ এবং দর্শকদের সমর্থনে ফল পেয়ে যায় রোমা। ম্যাচ শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ আগে বার্সেলোনার কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন, কস্তাস মানোলাস। যিনিও কী-না প্রথম লেগে অপর আত্মঘাতী গোলটি করেছিলেন। এই জয়ের ফলে প্রথমবারের জন্য চ্যাম্পিয়ন্স লিগ সেমিফাইনালে উঠলো ইতালির অন্যতম বিখ্যাত এই ক্লাবটি।

ম্যাচ শেষে রোমা কোচ ফ্রান্সিসকো জানান, “অবিশ্বাস্য জয়। এখনও বিশ্বাস করতে পারছি না। অসাধারণ ফুটবল খেলেছে ছেলেরা। এটা ওদের প্রাপ্য। ধন্যবাদ দর্শকদের সঙ্গে থাকার জন্য। এই জয় আপনাদের”।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন