cityepl-win

টটেনহ্যাম হটস্পার    – ১              ম্যাঞ্চেস্টার সিটি – ৩

ওয়েবডেস্ক: ইপিএলে জয় পেল ম্যাঞ্চেস্টার সিটি। গত সপ্তাহের ম্যাঞ্চেস্টার ডার্বিতে হার, তারপর চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে হেরে গিয়ে ছিটকে যাওয়া। ম্যাচ শুরুর আগে তাই কিছুটা হলেও চাপ ছিল সিটি শিবিরে। এদিন অবশ্য শুরুটা ভালোই করে টটেনহ্যাম। তবে ধীরে ধীরে নিজেদের খেলায় ফেরার চেষ্টা করে সিটি। ডি ব্রুইন, জেসুসরা জয়ের লক্ষ্যে আক্রমণে ধার বাড়ায়। তবে ঘরের মাঠে প্রতি আক্রমণে পিছিয়ে থাকেনি টটেনহ্যামও। বেশিক্ষণ অবশ্য অপেক্ষা করতে হয়নি সিটিকে। ২২ মিনিটে প্রথম গোল তাদের। সৌজন্যে গাব্রিয়েল জেসুস। এর রেশ কাটতে না কাটতে ফের গোল করে সিটি। ইংল্যান্ড জাতীয় দলের খেলোয়াড় রহিম স্টারলিংকে বক্সে ফাউল করেন টটেনহ্যাম গোলকিপার লরিস। পেনাল্টি থেকে গোল করতে ভুল করেননি, ফর্মে থাকা গুন্ডোগান। দু’গোলের ব্যবধান বাড়িয়ে, আক্রমণ আরও ধারাল করতে থাকে সিটি। সিলভার জোরাল শট বাঁচান সেই লরিস। প্রথমার্ধের শেষদিকে ব্যবধান কমানোর লক্ষ্যে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে টটেনহ্যাম। যার ফলও পেয়ে যায় তারা। এরিকসনের গোলে ব্যবধান কমিয়ে বিরতিতে যায় টটেনহ্যাম।

দ্বিতীয়ার্ধে শুরু থেকেই আক্রমণ শুরু করে টটেনহ্যাম। সুযোগ তৈরি করেও, কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন তারা। প্রতি আক্রমণে সুযোগ পায় সিটিও। তবে গোল করতে পারেননি জেসুস, স্টারলিংরা। তবে দ্বিতীয়ার্ধে সব থেকে সহজ সুযোগটি হাতছাড়া করেন স্টারলিং। ইংল্যান্ড জাতীয় দলের খেলোয়াড়টি, গোলকিপারকে কাটিয়েও বিপক্ষ ডিফেন্ডারের গায়ে বল মারেন। অবশ্য নিজের এই মিস সুদে-আসলে মিটিয়ে দেন তিনি। এর পরের মিনিটেই ল্যাপোর্টের শট বাঁচান, টটেনহ্যাম গোলকিপার লরিস। সেই বলকে অনুসরণ করে দলের হয়ে তৃতীয় গোলটি করে যান স্টারলিং। এরপর শেষদিকে আক্রমণ বাড়ালেও গোল করতে পারেননি টটেনহ্যাম হটস্পারের খেলোয়াড়রা।

ম্যাচ শেষে সিটি কোচ পেপ গুয়ারদিওলা জানান, “ছেলেরা দারুন লড়েছে। এই জয় পেয়ে ভালো লাগছে। মরশুমের শেষ দিন পর্যন্ত এই ফর্ম ধরে রাখতে চাই”।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন