ফিরে দেখা ফুটবল বিশ্বকাপ: রিও-র রাজ্যপালের অপমান তাতিয়ে দিয়েছিল উরুগুয়েকে

বিশ্বকাপ ফুটবল মানেই মন জোড়া-ফলায় বিদ্ধ। এক উত্তেজনা। দুই নস্টালজিয়া। উত্তেজনা আপাতত তোলা রইল ১৪ জুন রাশিয়া বিশ্বকাপের আসরের জন্য। এখন ভেসে যাওয়া যাক নস্টালজিয়ায়।

0
135
fifa 1950
Arunava Gupta
অরুণাভ গুপ্ত

বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল ১৬ জুলাই, ১৯৫০। রাজধানী রিও ডি জেনেরিওর মারাকানা স্টেডিয়ামে তিল ধারণের জায়গা নেই। ব্রাজিলের মানুষ উৎসাহ-উদ্দীপনায় টগবগিয়ে ফুটছে। তারা নিশ্চিত, দেশের জয় সম্পর্কে।

শুধু দর্শকরা নন, খেলার আগে মারাকানা স্টেডিয়ামে রিওর রাজ্যপাল স্বয়ং তাঁর ভাষণে বললেন, “আমি মনে করি ব্রাজিলিয়ান আপনারা প্রতিযোগিতার বিজয়ী দল। এখন কিছু সময়ের অপেক্ষা। তার পর চ্যাম্পিয়ন। বিশ্বে আপনাদের সমকক্ষ কাউকে নজরে পড়ছে না। যত প্রতিযোগী আছে, তাদের প্রত্যেকের থেকে আপনারা উন্নত। আমি আগেভাগেই আপনাদের বিজয়ী বলে কুর্নিশ করলাম”।

বিশ্বযুদ্ধের আবহ থেকে সবে বেরিয়ে এসে ফুটবলের মাধ্য়মে আবার বিশ্ববাসী একাত্ম হওয়ার পথে এগোচ্ছে। এক দেশ খেলার মাঠে যতই প্রতিদন্দ্বিতার পারদ চড়াক, প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তির মুখে অন্তত ন্যূনতম সৌজন্যতা বোধ আশা করা যেতেই পারে।

মাত্রাছাড়া অহঙ্কারের নমুনা, সামান্য সৌজন্য বোধ নেই। প্রতিপক্ষ দেশ উরুগুয়ের প্রতি। শাপে বর হয়েছে উরুগুয়ের। এক কাট্টা হয়েছে জবাব দিতে। রেফারি বাঁশি বাজালেন।

আরও পড়ুন: ফিরে দেখা ফুটবল বিশ্বকাপ: শত্রুপক্ষের হাত থেকে বাঁচাতে ট্রফি লুকনো ছিল খাটের নীচে

১৯৫০ বিশ্বকাপ শেষ। স্কোরবোর্ডে ফলাফল-উরুগুয়ে ২, ব্রাজিল ১। বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার বিশ বছর বাদে উরুগুয়ের হাত ধরে মন্টিভিডিওতে ফিরল বিশ্বকাপ। প্রসঙ্গেক্রমে একটা কথা জানানোর আছে, এই ম্যাচের রেফারি জর্জ রিডার (ইউকে) ফাইনাল ম্যাচ পরিচালনা করতে যখন মাঠে ঢুকলেন তখন তাঁর বয়স ৫৩ বছর ২৩৬ দিন। নি:সন্দেহে তিনিও একজন ফুটবল-কর্মী।

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

loading...

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here