patrick battiston
Arunava Gupta
অরুণাভ গুপ্ত

স্পেনে আয়োজিত ১৯৮২-র বিশ্বকাপের ফাইনালের তুলনায় সেমিফাইনাল বহুচর্চিত।  যেহেতু এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে চুড়ান্ত অমানবিকতার জঘন্য নিদর্শন।

সেমির লড়াইয়ে অবতীর্ণ ফ্রান্স ও জার্মানি, খেলা সেভিলে। জেনঝিনির পরিবর্ত হিসাবে মাঠে নামেন প্যাট্রিক বাতিস্তন। এঁরা দু’জনে ফ্রান্সের খেলোয়াড়। স্কোর তখন ১-১, হঠাৎ দারুণ একটা পাস থেকে ফাঁকায় বল পেয়ে বাতিস্তন রক্ষণের খেলোয়াড়দের ধোঁকা দিয়ে একেবারে গোলমুখে চলে আসেন। গোল হবো, হবো। ঠিক তখনই জার্মানির গোলরক্ষক স্যুমেখার ঝাঁপিয়ে পড়েন বাতিস্তনের উপর। সপাটে ঘুষি মারেন মুখে। তার পর যেন কিছুই ঘটেনি এমন ভঙ্গি করে বল কবজায় নিয়ে এক পাশে সরে দাঁড়ান স্যুমেখার।

বাতিস্তন যন্ত্রণায় মাঠে পড়ে কাতরাচ্ছেন। সামনের দিকের দু’টো দাঁত উপড়ে চলে গিয়েছে। এতটাই খারাপ অবস্থা যে তিনি মারাও যেতে পারতেন। অত্যাশ্চর্য, এই ঘটনা দর্শকরা দেখতে পেলেও দেখতে পেলেন না রেফারি। বেকসুর খালাস স্যুমেখার। রেফারির দোসর লাইন্সম্যানও সব দেখে হতবাক।

patrick battiston 2

ফ্রান্সের ফুটবলার হিডালগ বলেছিলেন, “আমি দায়িত্ব নিয়ে বলছি, এটা রীতি মতো ছক কষা ঘটনা”।

আরও পড়ুন: ফিরে দেখা ফুটবল বিশ্বকাপ: এ বারের ফুটবলাররা যখন ‘ছেলে মানুষ’ ছিলেন

স্যুমেখার কাকে না কি বলেছিলেন, দাঁত বাঁধানোর খরচ দিতে প্রস্তুত আছেন তিনি। কিন্তু তাঁদের অভদ্র আচার-আচরণ তো বিশ্বব্যাপী নিন্দিত।  তবে সে বছর বিশ্বকাপ কবজা করতে পারেনি জার্মানি। ইতালির সঙ্গে ফাইনালে জার্মানি হেরেছিল ৩-১ গোলে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here