শিলিগুড়ি: পুরো ম্যাচটা দাপিয়ে খেলেও জয় এল না। স্বাভাবিক ভাবেই আক্ষেপ যাচ্ছে না সবুজমেরুন শিবিরের। দুই অর্ধে কামো দুটো সহজ গোল নষ্ট না করলে, ম্যাচের ফল পালটে যেত অনেকটাই। বাগান কোচ শঙ্করলালের গলাতেও হতাশা স্পষ্ট। এরকম এক ডার্বিতেই চিমার ফাউলে তাঁর পা ভেঙেছিল। কোচ হয়েও দুই ডার্বিতে তাঁর খাতা শূন্য।

অন্যদিকে কম থার মানুষ খালিদ, আজও থাকলেন উচ্ছ্বাসহীন। শুধু বললেন, এই জয় দলীয় সংহতি ও কঠিন পরিশ্রমের ফল। ম্যাচে সেরা হয়ে স্বাভাবিক ভাবেই দারুণ খুশি গোলদাতা রালতে। আমনা, প্লাজারাও অপেক্ষায় ছিলেন এই দিনটারই।

পেনাল্টি, লালকার্ড, রেফারিং বিতর্কের ডার্বির শেষে চতুর্থী উজ্জ্বল আটে আট-এর ইতিহাসে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here