গোকুলম এফসি-২(কিভি, সালাম-নিজ গোল)    ইস্টবেঙ্গল-১(কাতসুমি-পেনাল্টি)

ওয়েবডেস্ক: জিততেই হবে, এরকম ম্যাচেও সামনে ডুডু ছাড়া কোনো স্ট্রাইকার খেলাতে পারেন না খালিদ জামিল। যন্ত্রণার ব্যাপার বইকি! দলে গোল করার অনেক লোক আছে বটে, কিন্তু তাঁরা তো কেউ স্ট্রাইকার নন, অতএব তাঁদের কেউ কেউ কোনো কোনো ম্যাচে গোল করবেন, কখনও আবার করবেন না। তারওপর শনিবার গোকুলম কোচ বিনো জর্জ চমৎকার স্ট্র্যাটেজিতে আটকে দিলেন আল আমনাকে। ইয়ামি লংভা প্রথামার্ধে কিছুটা চেষ্টা করলেন আর বরাবরের মতো দৌড়লেন কাতসুমি। ব্যস। প্রথমমার্ধে বল দখলের লড়াইতে কিছুটা এগিয়ে থাকল লালহলুদ। শেষ বেলায় একটা পেনাল্টি পেয়ে এগিয়েও গেল।

কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধ জুড়ে বড়ো দলের ভূমিকায় থাকল গোকুলমই। হেনরি, কিভি, ইরশাদ, আল লাজমি মিলে নাস্টানাবুদ করে দিলেন ইস্টবেঙ্গল ডিফেন্সকে। আগের ম্যাচে ভরসা যোগানো উবেইদ বাজে গোল খেলেন ৫১ মিনিটে। আর গোল শোধের পর থেকেই ম্যাচের রাশ পুরোপুরি চলে গেল করলের দলটির হাতে। সঙ্গে চলছিল তাঁদের কড়া ট্যাকলও। হেনরি কিসেসকার মতো চমৎকার এক বিদেশিকে সই করিয়েছে গোকুলম। মোহনবাগানের বিরুদ্ধে একটি বিশ্বমানের গোল করেছেন। এদিন আরও দুটো করতে পারতেন। কিন্তু বাধ সাধল বারপোস্ট।

এসবের মধ্যেই যখন মনে হচ্ছে ম্যাচ ড্র হয়ে যাবে ঠিক তখনই ম্যাচের ৮৭ মিনিটে বুদ্ধিদীপ্ত ফুটবলে লালহলুদ রক্ষণ ভেঙে দিল বিনো জর্জের দল। গলটা সালামের সেমসাইড হল বটে, কিন্তু তিনি শট না করলেও ওটা গোলই হত। কারণ গোললাইনের সামনে তখন তিনি ছাড়া বাকি দুজন ফুটবলারই গোকুলমের।

তারপরই খেলায় টেনশন শুরু হল। লালকার্ড দেখলেন গোকুলমের অধিনায়ক ইরশাদ। তার কিছু পর লালকার্ড দেখলেন লালহলুদ অধিনায়ক অর্ণব।

১৫ ম্যাচে ২৬ পয়েন্টে আটকে গেল ইস্টবেঙ্গল। মিনের্ভা ১৪ ম্যাচে ২৯, নেরোকা ১৬ ম্যাচে ৩১। রবিবার নেরোকার মুখোমুখি হবে মোহনবাগান।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন