ওয়েবেডেস্ক: সল্টলেক স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের যোগ্যতা নির্ণায়ক গ্রুপ ‘ই’-র দ্বিতীয় রাউন্ডের ম্য়াচে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আশাভঙ্গ হল ভারতীয় ফুটবল দলের। প্রথমার্ধে এক গোল খাওয়ার পর শেষ মুহূর্তে তা পরিশোধ করলেও এক পয়েন্ট বাড়িয়ে নিল বাংলাদেশ।

প্রথমার্ধে ৪১ মিনিটের মাথায় বাংলাদেশের অধিনায়ক জামাল ভুঁইয়ার অনবদ্য় বাঁক খাওয়া একটা ফ্রি-কিক পুরো ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। ভারতের জালে বল ঢুকিয়ে দেয় বাংলাদেশ। সাদ উদ্দিনের ওই গোলে বাংলাদেশ ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। কানায় কানায় ভরতি যুবভারতী স্টেডিয়াম যেন কয়েক মুহূর্তের জন্য হৃদয়ভঙ্গের ব্যথায় কাতর হয়ে ওঠে। স্বাভাবিক ভাবেই দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই গোল পরিশোধের টার্গেট নিয়ে মাঠে নামেন ইগর স্টিম্য়াচের শিষ্য়রা।

Loading videos...

ম্যাচে ফিরে আসতে গোল শোধের লক্ষ্যই মূল হয়ে দাঁড়ায় ভারতের কাছে। সুনীল ছেত্রী সতীর্থদের উদ্দেশে বিরোধী বক্সে ঢুকে আক্রমণের নির্দেশ তীব্র করতে থাকেন। ৫৬ মিনিটের মাথায় আক্রমণ সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যেতে তুলে নেওয়া হয় মন্দাররাও দেশাইকে। তাঁর পরিবর্তে নামানো হয় ব্র্যান্ডন ফার্নান্ডেজকে। কিন্তু বাংলাদেশের ডিফেন্স যেন দুর্ভেদ্য হয়ে ওঠে।

শেষমেশ ৮২ মিনিটের মাথায় বাংলাদেশের প্রাচীর ভেদ করেন আদিল খান। সমতায় ফেরে ভারত। কর্নার কিক থেকে অসাধারণ গোল করে ব্যবধান ঘুচিয়ে স্কোর ১-১ করেন তিনি।

এ ভাবে ভারী বাতাসের সঙ্গেই শেষ হয়ে যায় ম্যাচ। কারণ, ম্যাচে ভারত সমতা ফেরানো সত্ত্বেও বাংলাদেশ এক পয়েন্ট নিয়ে অনেকটাই এগিয়ে গেল।

তবে ম্যাচ শেষে ভারতের কোচ স্টিম্য়াচ বলেন, “আমাদের যা কিছু করার, আজ আমরা সবই দিয়েছি। আমাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যত রয়েছে। আমরা ফুটবলপ্রেমীদেরর অনেক বিনোদন দিয়েছি। এটাই ভবিষ্যৎ যে, আমরা আক্রমণাত্মক হতে যাচ্ছি। প্রথম ৪৫ মিনিটে আমরা পিছনে ছিলাম, গোল পাইনি। আমরা সমতা ফিরিয়েছি।বাংলাদেশের অভিনন্দন। তবে আমরা জিততে না পারলেও নির্ধারিত লক্ষ্যগুলি অতিক্রম করার চেষ্টা করেছি। গোল করা, তাৎক্ষণিক উন্নতি প্রয়োজন, সর্বোপরি আরও উন্নতির প্রয়োজন রয়েছে। আমরা এখনও তরুণ”।

ভারত: গুরপ্রীত সিং সান্ধু, রাহুল ভেকে, আদিল খান, অনিরুদ্ধ থাপা, আবদুল সাহাল, সুনীল ছেত্রী (অধিনায়ক), মনবীর সিং, উদান্ত সিং, মন্দার রাও দেশাই, আশিক কুরুনিয়ান ও অ্যানাস এডাথোডিকা।

বাংলাদেশ: আশরাফুল, ইয়াসিন, রিয়াদুল, রহমত, রায়হান, জামাল ভূঁইয়া, বিপলু, সোহেল রানা , সাদ, ইব্রাহিম, জীবন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.