Babu Mani
বাবু মানির প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য মোহনবাগানের। ছবি মোহনবাগানের Twitter page থেকে নেওয়া।

নিজস্ব প্রতিনিধি: কাতার বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার ঠিক আগে ভারতীয় ফুটবল জগতে শোকের খবর। প্রয়াত হলেন আশি-নব্বই দশকের দুর্দান্ত উইঙ্গার বাবু মানি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর। রেখে গেলেন স্ত্রী, পুত্র, কন্যাকে। বেশ কয়েক মাস ধরেই লিভারের অসুখে ভুগছিলেন বাবু মানি। শনিবার সন্ধ্যায় কলকাতায় তাঁর প্রয়াণ ঘটে।

আশি-নব্বইয়ের দশকে টানা ১০ বছর ধরে কলকাতার তিন প্রধান দলে খেলেছেন বাবু মানি। বাংলা দলের হয়ে সন্তোষ ট্রফি খেলেছেন। বেঙ্গালুরুর ছেলে বাবু মানি ১৯৮৩ সালে কলকাতায় খেলতে এসে এখানকার বাসিন্দা হয়ে যান। সে বছর তাঁকে মহমেডান স্পোর্টিং ক্লাবে নিয়ে এসেছিলেন মহিদুল ইসলাম। এক বছর সেখানে খেলার পর মোহনবাগান তাঁকে তুলে নিয়ে যায়।   

বাবু মানি সবুজ-মেরুনে ছিলেন ১৯৮৮ পর্যন্ত। ইতিমধ্যে ১৯৮৭ সালে মোহনবাগানের অধিনায়কত্ব করেন। ১৯৮৬ এবং ১৯৮৭ সালে ফেডারেশন কাপ চ্যাম্পিয়ন হয় মোহনবাগান। মানি ছিলেন সেই দলের সদস্য।

১৯৮৮ সালে বাবু চলে যান মহমেডানে। দু’ বছর সেই দলে খেলার পর ১৯৯০-এ যোগ দেন ইস্টবেঙ্গলে। ১৯৯২ সালে আবার ফিরে আসেন মোহনবাগানে। ১৯৯৩ সালে খেলেন এফসিআই-এর হয়ে। এখানেই চাকরি করতেন মানি। ১৯৯৪-এ মোহনবাগানে খেলে তিনি ফুটবলজীবন শেষ করেন।

১৯৮৪ সালের নেহরু গোল্ড কাপে খেলার জন্য ভারতের জাতীয় দলের জন্য বাবুকে বেছে নেন সে সময়ে দলের কোচ সিরিক মিলোভান। ১৯৮৪ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত বাবু প্রাক-অলিম্পিক, এশিয়ান গেমস, প্রি-ওয়ার্ল্ড কাপ এবং নেহরু গোল্ড কাপে ভারতীয় জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করেন। তিনি ১৯৮৫ সালে সাফ (SAAF) কাপ জয়ী ভারতীয় দলের সদস্য ছিলেন।

বাবু মানি ছিলেন রাইট উইঙ্গার। দুর্দান্ত গতি ছিল। উইং ধরে প্রচণ্ড জোরে ছুটতেন। দুর্দান্ত ড্রিবলিং করতেন। তাঁর মৃত্যুতে মোহনবাগান-সহ সে সময়ে তিন প্রধানে খেলা ফুটবলাররা শোক প্রকাশ করেছেন।

আরও পড়তে পারেন

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২২: উদ্বোধনী ম্যাচ কখন এবং কোথায় লাইভ দেখা যাবে

কাতার বিশ্বকাপ ২০২২: দেখে নিন গ্রুপ লিগের খেলা কবে, কখন

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন