কলকাতা: সুভাষ-খালিদ দ্বন্দ্বের আবহে সাংবাদিকদের সঙ্গে ফুটবলারদের কথা বন্ধ করে দিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। সেই নির্দেশ সকলে মানলেও মানেননি জাপানি মিডিও। কোচ ইস্যুতে বারবার মুখ খুলেছেন মিডিয়ায়। ইস্টবেঙ্গলের টিম বাস দেরি করে ভুবনেশ্বরে পৌঁছনোর পরও প্রকাশ্য ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সব মিলিয়ে কাতসুমিকে নিয়ে ক্ষুব্ধ ইস্টবেঙ্গলের টিম ম্যানেজমেন্ট।

এই পরিস্থিতিতে নতুন করে কাতসুমির সঙ্গে দ্বন্দ্ব তৈরি হল ক্লাবের। পরের মরশুমে কাতসুমিকে দলে রাখতে চায় ইস্টবেঙ্গল। তবে এক বছর নয়, তাঁর সঙ্গে সাত মাসের চুক্তি করতে চায় তাঁরা। অর্থাৎ আই লিগের ফার্স্ট উইনডো পর্যন্ত। কিন্তু কাতসুমি তাতে রাজি নন। তিনি চাইছেন এক বছরের চুক্তি। এখানেই থমকে রয়েছে গোটা বিষয়টা। ঠিক হয়েছে, সুপার কাপ খেলে দল কলকাতায় ফেরার পর কাতসুমির এজেন্ট ও কাতসুমির সঙ্গে নতুন করে বসবেন লালহলুদ কর্তারা।

তবে বিষয়টার মধ্যে অন্য গন্ধও পাচ্ছেন কেউ কেউ। মোহনবাগান ইয়ুটাকে রেখে দিয়েছে। ফিট হলে আই লিগে সনির মোহনবাগানে খেলাও অনেকটা নিশ্চিত। তাই কাতসুমির বাগানে ফেরার আগ্রহ থাকলেও, মোহনবাগানের দিক থেকে ততটা নেই বলেই এখনও মনে হচ্ছে। সেই সুযোগে জাপানি মিডিওর দর কমাতেই সক্রিয় ইস্টবেঙ্গল।

এদিকে বাংলার বিরুদ্ধে সন্তোষ ফাইনালে গোল করা কেরলের জিতিন এম এস-কে নিয়ে আগ্রহী কলকাতার দুই প্রধান। ইস্টবেঙ্গল আগে থেকেই দৌড়ে ছিল। এবার মাঠে নামল মোহনবাগানও। এটিকে-মুখী ফৈয়াজের জায়গায় জিতিনকে তুলতে চায় সবুজমেরুন।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন