আইজল – ০             ইস্টবেঙ্গল – ১ ( রালতে )

ওয়েবডেস্ক: সুপার কাপের সেমিফাইনালে ইস্টবেঙ্গল। রবিবার ভুবনেশ্বরের কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে, কোয়ার্টার ফাইনালে তারা হারাল পাহাড়ের আইজলকে। এদিন শুরুতে অবশ্য দু’দলই একে অপরকে মেপে নেয়। তবে সময় যত বাড়তে থাকে, ডুডুকে সামনে রেখে চাপ বাড়াতে থাকে লালহলুদ বাহিনী। তবে ডুডু-যে এখন শুধুই বৃদ্ধ, তা এদিনের ম্যাচে ভালোই বোঝা গেল। হাফ চান্সে আসা একটি সুযোগ হাতছাড়া করেন তিনি। অতীতের সেরা সময় থাকলে গোল অবধারিত ছিল। এর মাঝেও ক্ষোভ থেকে যায় ইস্টবেঙ্গল শিবিরে পেনাল্টি না পাওয়ায়। প্রতি আক্রমণে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দেয় পাহাড়ের আইজলও। তবে দিনের হয়ত সবথেকে সহজ সুযোগটি হাতছাড়া করেন, সেই ডুডু। ২৮ মিনিটে ফাঁকা গোলে বল ঢোকাতে ব্যর্থ হন তিনি।

দ্বিতীয়ার্ধে গোল পাওয়ার লক্ষ্যে প্রথম থেকেই আক্রমণ শুরু করে ইস্টবেঙ্গল। মাঝমাঠ সচল করে আক্রমণ বাড়াতে থাকে কাতসুমি, আমনারা। তবে গোলমুখ খোলা যায়নি। ডিফেন্সেকে শক্ত করে লালহলুদের আক্রমণ প্রতিহত করতে থাকে আইজল। আক্রমণ বাড়ানোর লক্ষ্যে খেলোয়াড় পরিবর্তন করা হয়। ডুডুকে বসিয়ে ক্রোমাকে নামান ইস্টবেঙ্গল কোচ এবং টিডি। ম্যাচের শেষ দিকে বিপক্ষের উপর রীতিমতো জাঁকিয়ে বসে ইস্টবেঙ্গল। যখন মনে হচ্ছিল ম্যাচ অতিরিক্ত সময়ে যাচ্ছে, তখনও নাটক বাকি ছিল। ৯২ মিনিটে আমনার গোলমুখ করে নেওয়া শট বাঁচান আইজলের কিমকিমা। তবে এরপরের মিনিটেই ম্যাচ কিন্তু মাঠে ফেলে আসেন আইজলের অন্যতম ভরসা ইয়ুনেস্কু। গোলে না মেরে ইস্টবেঙ্গল গোলকিপার উবেদের হাতে শট মারেন তিনি। যার ফল, শেষ মিনিটে প্রতি আক্রমণে উঠে আসা ক্রোমাকে বক্সে ফাউল করেন আইজল গোলকিপার। পেনাল্টি থেকে গোল করতে ভুল করেননি রালতে।

ম্যাচ শেষে কোচ খালিদ জামিল জানান, “ভাগ্য আমাদের সঙ্গে ছিল। আইজল দারুন ডিফেন্স করে গেছে। তবে প্রতিদিন এক ভাবে জেতা যায় না। পরবর্তী লক্ষ্য সেমিফাইনাল”।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন