ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন, মেসিদের গোলের মালা পরিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে লিভারপুল

২০০৫ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে প্রথমার্ধে এসি মিলানের বিরুদ্ধে তিন গোলে পিছিয়েও্‌ দ্বিতীয়ার্ধে দুরন্ত কামব্যাক করে তারা। টাইব্রেকারে ম্যাচ গেলে চ্যাম্পিয়ন হয় লিভারপুল। মঙ্গলবার গভীর রাতে তেমনই ঘটাল লিভারপুল।

0
final

লিভারপুল – ৪                    বার্সেলোনা – ০

দুই পর্ব মিলিয়ে ৪-৩ ব্যবধানে জয়ী লিভারপুল

ওয়েবডেস্ক: চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ইতিহাসে যখনই সেরা কামব্যাকের কথা বলা হবে এবার থেকে হয়তো লিভারপুলের নামই সবার প্রথমে উঠে আসবে। ২০০৫ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে প্রথমার্ধে এসি মিলানের বিরুদ্ধে তিন গোলে পিছিয়েও্‌ দ্বিতীয়ার্ধে দুরন্ত কামব্যাক করে তারা। টাইব্রেকারে ম্যাচ গেলে চ্যাম্পিয়ন হয় লিভারপুল।

মঙ্গলবার গভীর রাতে তেমনই ঘটাল লিভারপুল। এক্ষেত্রে অবশ্য ম্যাচটি ছিল চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনাল। প্রথম লেগে তিন গোলে পিছিয়ে থেকেও ঘরের মাঠে মেসিদের বিরুদ্ধে অবিশ্বাস্য জয়।  ম্যাচ দেখলে কে বলবে এদিনের দলে সালাহ, ফিরমিনহোদের মতো তারকা চোটের জন্য অনুপস্থিত ছিলেন। চলতি মরশুমের হয়তো সবচেয়ে সেরা ম্যাচটাই এদিনই খেললো লিভারপুল।

মাঠে মেসিদের নিয়ে প্রায় ছেলেখেলা করলেন মানে, মিলনাররা। মেসিদের ঘরের মাঠে নজর কাড়লেও গোল পায়নি লিভারপুল। তবে এদিন মেসিরা ম্যাচে দাঁতই ফোঁটাতে পারলেন না। দলগত সংহতিকে কাজে লাগিয়ে যে কোনো বাধা যে অতিক্রম করা যায় তা দেখিয়ে দিল য়ুরগেন ক্লপের ছেলেরা। আর যার ফলে গত বছরের মতো ফের একবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে পৌঁছে গেল লিভারপুল।

প্রথম লেগে তিন গোলের ব্যবধান অতিক্রম করতে শুরু থেকেই আক্রমণ দরকার ছিল লিভারপুলের। শুরু থেকে ঠিক সেটাই করে গেল তারা। লিগের শেষ ম্যাচে দলের জার্সিতে জয়সূচক গোল করেছিলেন ওরিগি। এদিন গোলের খাতা তিনিই খুললেন। প্রথমার্ধের সাত মিনিটের মধ্যে। প্রথমার্ধে ব্যবধান বাড়াতেই পারতো, কিন্তু সুযোগ ঠিক কাজে লাগেনি।

গত ম্যাচে তিন গোল হজম করে মানসিক ভাবে কিছুটা বিমর্ষ হয়ে গিয়েছিলেন লিভারপুল কিপার বেকার। এদিন তাঁর পারফরমেন্স দেখার মতো। মাঝে মধ্যে মেসিরা কিছুটা চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করলেও, তা থেকে বিপদ হতে দেননি বেকার।

দ্বিতীয়ার্ধেও শুরু থেকেই চাপ লিভারপুলের। দু’মিনিটের ব্যবধানে গোল করে দলকে অনেকটাই এগিয়ে দেন উইজনালডাম। প্রথমটি চকিতে শট, দ্বিতীয়টি হেডে। এইসময় খেলার ফল দাঁড়ায় ৩-৩। অর্থাৎ ফাইনালে যেতে হলে আরও একটি গোল দরকার ছিল লিভারপুলের। খেলা শেষ হওয়ার মিনিটে দশেক আগে দলের চতুর্থ এবং নিজের দ্বিতীয় গোল সেই ওরিগির।

গতবার রেয়াল মাদ্রিদের বিরুদ্ধে ফাইনালে হেরেছিল লিভারপুল। এবার সেই মাদ্রিদের মাঠেই ইউরোপ সেরা হওয়ার স্বপ্ন দেখতে শুরু করে দিল লিভারপুল।

------------------------------------------------
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।
সুস্থ, নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার স্বার্থে খবর অনলাইনের পাশে থাকুন।সাবস্ক্রাইব করুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.