luka modric
ব্যালন ডি'ওর খেতাব হাতে মদরিচ। ছবি সৌজন্যে নিউজ১৮.কম।

ওয়েবডেস্ক: অবসান হল মেসি-রোনাল্ডোর এক দশকের আধিপত্য। সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে ফুটবল-বিশ্বের সর্ব শ্রেষ্ঠ খেতাবের অধিকারী হলেন ক্রোয়েশিয়ার লুকা মদরিচ। সারা বিশ্বের ১৮০ জন সাংবাদিক ভোট দিয়ে তাঁর শিরেই তুলে দিলেন ব্যালন ডি’ওর সম্মান। সোমবার প্যারিসে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে রেয়াল মাদ্রিদের এই মিড ফিল্ডারের হাতে এই শিরোপা তুলে দেওয়া হল। তাঁর সঙ্গে মঞ্চ ভাগ করে নিলেন দ্বিতীয় স্থানে থাকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো এবং তৃতীয় স্থানের জন্য নির্বাচিত ফ্রান্স তথা আতলেতিকো মাদ্রিদের স্ট্রাইকার আন্তয় গ্রিজমান।

ব্যালন ডি’ওর পুরস্কারের উদ্যোক্তা ফ্রান্স ফুটবল ম্যাগাজিন। এই খেতাবে সম্মানিত হয়ে ৩৩ বছরের মদরিচ বললেন, “শৈশবে সব শিশুরই কিছু স্বপ্ন থাকে। আমার স্বপ্ন ছিল বড়ো ক্লাবের হয়ে খেলব আর ভালো ভালো ট্রফি জিতব। ব্যালন ডি’ওর খেতাব পাওয়াটা সেই স্বপ্নের চেয়েও অনেক অনেক বেশি। এই ট্রফিটা হাতে পাওয়া একটা বিশাল সম্মান আর অধিকারের ব্যাপার।

আরও পড়ুন রোনাল্ডো ছাড়ার পর ঘর অগোছালো, বিকল্পের সন্ধানে রেয়াল মাদ্রিদ

ব্যালন ডি’ওর-এর ইতিহাসে মদরিচ হলেন দ্বিতীয় ফুটবলার যিনি এত বয়সে এই খেতাবে সম্মানিত হলেন। এর আগে ২০০৬ সালে ফাবিও কানাভ্যারো ৩৩ বছর বয়সে এই সম্মান পেয়েছিলেন।

বিগত বছরে অসাধারণ ফুটবল প্রদর্শন করেছেন মদরিচ। তাঁর দৌলতে রেয়াল মাদ্রিদ চ্যাম্পিয়নস লিগে শীর্ষ স্থান দখলে রেখেছে। এই মদরিচই রাশিয়ায় আয়োজিত ফুটবল বিশ্বকাপে নিজের দেশ ক্রোয়েশিয়াকে টেনে নিয়ে গিয়েছিলেন ফাইনালে। শেষ পর্যন্ত ফ্রান্সের কাছে ৪-২ গোলে হেরে রানার্সের খেতাব নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয় ক্রোয়েশিয়াকে।

মদরিচকে শীর্ষ স্থান ছেড়ে দিয়ে সাংবাদিকদের ভোটে দ্বিতীয় স্থানে চলে গেলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। প্যারিস সাঁ জাঁর টিনএজ ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পে পেলেন চতুর্থ স্থান। ব্যালন ডি’ওর-এর আরেক জোরদার প্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসির জায়গা হল পঞ্চম স্থানে। ২০০৬-এর পর এই প্রথম প্রথম তিনের বাইরে গেলেন মেসি। ষষ্ঠ স্থানে লিভারপুলের মিশরীয় ফরোয়ার্ড মহম্মদ সালাহ, সপ্তম স্থানে মদরিচের ক্লাব-সঙ্গী ফ্রান্সের রাফাল ভারানে। ব্যালন ডি’ওর শিরোপা কাকে দেওয়া হবে তা বেছে নেওয়ার জন্য প্রাথমিক ভাবে ৩০ জন ফুটবলার মনোনীত হয়েছিলেন।

এই প্রথম মহিলা ব্যালন ডি’ওর সম্মান দেওয়া হল। পেলেন নরওয়ের স্ট্রাইকার আডা হেগেরবার্গ।

 

 

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here