mdsfinal

ইস্টবেঙ্গল – ১ (অ্যাকস্তা)                                   মহামেডান – ২ (আডজাহ)

ওয়েবডেস্ক: হার অব্যাহত ইস্টবেঙ্গলের। গত ম্যাচে পিয়ারসেল। এ বার মহামেডান। মঙ্গলবার লিগের ম্যাচে এগিয়ে থেকেও শেষ মিনিটের গোলে হারতে হল লাল-হলুদ বাহিনীকে। যার ফলে লিগের আশা কার্যত শেষ। অর্থাৎ লিগে এখন তারা রানার্স হবে কি না, সেটাই বড়ো প্রশ্ন। কেন না খুব একটা ব্যবধানে পিছিয়ে নেই পিয়ারলেস। এ দিনের জয়ের পর সেই তালিকায় উঠে এল মহামেডানও।

এ দিন অবশ্য শুরু থেকেই একটা ইতিবাচক খেলছিলেন রঘু নন্দীর ছেলেরা। ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যেত পারতেন তাঁরা। তবে সুযোগ কার্যকর করতে ব্যর্থ হন বিদেশি এমেকা। তবে কিছুটা ছন্দের বিপক্ষে গিয়ে ম্যাচে লিড ইস্টবেঙ্গলের। ম্যাচের ১২ মিনিটে কর্নার থেকে রালতের শট আয়ত্তে রাখতে ব্যর্থ হন মহামেডান গোলকিপার। সেই বলকে ফলো করেই গোল বিশ্বকাপার জনি অ্যাকোস্তার। অবশ্য গেল হজম করেও পিছিয়ে পড়েনি সাদা-কালো বাহিনী। সুযোগ তৈরি করলেও তা কার্যকর করতে ব্যর্থ হন বাজি, দিপেন্দু দুয়ারিরা। একই সঙ্গে দু’দলের তরফ থেকে ক্রমাগত মিস পাসের বহর। যা বড়ো ম্যাচে খুবই বিরিক্তকর। ফলে এক গোলেই বিরতিতে যায় ইস্টবেঙ্গল।

দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য পুরোটাই মহামেডান। সমতা ফেরানোর লক্ষ্যে প্রথম থেকেই আক্রমণ শানাতে থাকে তারা। এই অর্ধে ইস্টবেঙ্গলকে দেখলে মনে হবে খেলাই তারা ভুলে গিয়েছে। প্রথমার্ধের তুলনায় দ্বিতীয়ার্ধে অনেক সংঘবদ্ধ মহামেডান। যার অন্যতম কারণ প্রথমার্ধের শেষদিকে পরিবর্ত খেলোয়াড় প্রসেনজিত চক্রবর্তী। মাঝমাঠ থেকে দলকে নেতৃত্ব দিলেন। দ্বিতীয়ার্ধেও সুযোগ হাতছাড়া বঙ্গতনয় দিপেন্দুর। ফলে এ দিন নিজের হ্যাটট্রিক মাঠেই ফেলে এলেন তিনি। বিদেশি স্ট্রাইকার এমেকার বলদি হিসাবে ময়দানের পোড় খাওয়া কোচ রঘু মাঠে নামান আরেক বিদেশি আডজাহকে। শেষমেশ তিনিই খেলার রং বদলে দিলেন। প্রথম,৮৬ মিনিটে ইস্টবেঙ্গল ডিফেন্সকে ছিটকে দিয়ে একার দক্ষতায় গোল। এর পর অতিরিক্ত সময়ের দশ মিনিটে। এ বারও ইস্টবেঙ্গল গোলকিপারকে কাটিয়ে আউটস্টেপে ফের নিজের দক্ষতার প্রমাণ রাখেন তিনি।

এ দিনের ফলে, বুধবার কাস্টমসকে হারাতে পারলেই এক ম্যাচ আগেই চ্যাম্পিয়ন হয়ে যাবে মোহনবাগান।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন