মহামেডান স্পোর্টিং-৩(তন্ময়, এমেকা, দীপেন্দু)         পাঠচক্র-০

কলকাতা: প্রথমার্ধের প্রথম ৩০ মিনিট মহামেডান বেশ গুছিয়েই খেলছিল। বারবার নজরে পড়ছিলেন বাজি আর্মান্দ। দলকে খেলাচ্ছিলেন গত মরশুমে ইস্টবেঙ্গলে খেলা ওই বিদেশি। কিন্তু স্ট্রাইকার এমেকাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। চাপ ধীরে ধীরে কমে যেতেই খোলস ছেড়ে বেরলো পাঠচক্র। খেলাটা সমানে সমানে হয়ে গেল। প্রথমার্ধের একেবারে শেষে সুদীপ্ত মালাকারের চমৎকার পাস থেকে যদি স্মানন্দ সিং গোলটা করে দিতে পারতেন, হয়তো ম্যাচের রং পালটে যেত। কিন্তু ম্যাচের সবচেয়ে সহজ সুযোগটা তিনি হেলায় হারালেন।

দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণে ঝাঁঝ বাড়াল সাদাকালো ব্রিগেড। আর সেই ঝাঁঝেই ৪৯ মিনিটে গোলে ঢুকতে যাওয়া বলে হাত লাগিয়ে ফেলেন পাঠচক্রের অধিনায়ক লালকমল বৌমিক। তিনি লালকার্ড দেখলেন আর পেনাল্টি থেকে তন্ময় ঘোষ গোল দিলেন। ওখানেই শেষ হয়ে গেল খেলাটা। ১০ জনের পাঠচক্রের মাঝামাঠ আর রক্ষণের মাঝে অনেকটা ফাঁকা জায়গা তৈরি হয়ে গেল। পুরো ম্যাচ চমৎকার খেলা স্টপার ভিক্টর কামহুকা প্রিন্সউইল এমেকার আউটসাইড ডজে পড়ে গেলন। মরশুমের প্রথম গোলটা করলেন সাদাকালো স্ট্রাইকার। ৮০ মিনিটে তৃতীয় গোলটি করে দিলেন দীপেন্দু দুয়ারি।

যদিও প্রতিপক্ষ ১০ জনের পাঠচক্র। তবু মরশুমের প্রথম আত্মবিশ্বাসী জয় রঘু নন্দীকে যে খুশি করবে, তাতে সন্দেহ নেই। তবে অবাক লাগল পাঠচক্রকে নিয়ে। জাপান, ক্রোয়েশিয়া থেকে হাবিজাবি বিদেশি নিয়ে এসে সংবাদ মাধ্যমের শিরোনাম হয়েছেন বটে দলের কর্মকর্তারা। কিন্তু তাঁদের মান এত খারাপ যে অবাক হতে হয়। তার চেয়ে রাজ্য জুড়ে খেপ খেলে বেড়ানো শক্তিশালী গোটা দুয়েক আফ্রিকানকে নিলে বরং কাজে দিত। আর এই দলের জন্য খুলিট-বাসেতনদের দেশের কোচেরই বা কী দরকার ছিল কে জানে! এই সব সিদ্ধান্ত কি স্রেফ ফুটবলীয় যুক্তিতে নেওয়া হয়?

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন