মোহনবাগান- ৫(ক্রোমা, ডিকা ২, ফৈয়াজ, সনি)         চার্চিল ব্রাদার্স-০

কলকাতা: পাঁচ গোল হল। পাঁচ ফুটবলার চোট পেলেন। সনি-ক্রোমা-ডিকা ত্রিফলার ফুল ফোটানোর শুরুর দিনটা চিন্তায় ফেলে দিল কোচ সঞ্জয় সেনকে। সৌজন্যে বারাসতের কৃত্রিম টার্ফের মাঠ। ফেলার শুরুর দিকেই কলার বোনে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়লেন কিনোয়াকি। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হল। দ্বিতীয়ার্ধে চোট পেলেন অরিজিত বাগুই। তাঁর পরিবর্ত নামাতে হল। তারপর চোট পেলেন ক্রোমা, তিনি মাঠে ফিরলেও ঝুকি নেননি কোচ। পরিবর্ত নামিয়ে দেওয়া হল। যখন মোহনবাগানের আর পরিবর্ত খেলোয়াড় নামানোর উপায় নেই, তখন হাঁটুতে চোট পেলেন দলের সবচেয়ে বড়ো ভরসা সনি নর্দে। তাও খেলা চালিয়ে যাচ্ছিলেন, কিন্তু গোল করতে গিয়ে আবার হাঁটুতে লাগল। শেষ দশটা মিনিট অল্প দৌড়ে মাঠে থেকে গেলেন। অধিনায়ক বলে কথা। শেষ বেলায় চোট পেলেন এদিন চমৎকার খেলা শেখ ফৈয়াজ(গোলও পেয়েছেন))।

পরিস্থিতি সঞ্জয় সেন কীভাবে সামাল দেন, সেটা দেখার।

খেলার কথা তেমন কিছু বলার নেই। চার্চিল দলটা অগোছালো। রক্ষণ একের পর এক ভুল করল। সনি-ক্রোমা-ডিকাকে আটকানো তাঁদের পক্ষে সম্ভব ছিল না। ২৩ মিনিটে প্রথম গোলটি করলেন ক্রোমা। নিজের পুরোনো দলের বিরুদ্ধে গোল করে শান্তই থাকলেন লাইবেরিয়ান। তারপর এবারের আই লিগের প্রথম গোলটা পেলেন গতবারের আই লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা ডিকা। পরে আরও একটা গোল করলেন। কিন্তু মিস করলেন তিনটি সহজ সুযোগ। নইলে এদিন অনায়াসে তাঁর হ্যাটট্রিক হয়ে যেত। ম্যাচের সেরা অবশ্য তিনিই। বাগানের চতুর্থ গোলটি ফৈয়াজের।

গোল পার্থক্যের জন্য কলকাতা লিগ হাতছাড়া হয়েছে মোহনবাগানের। আই লিগ জয়ের ক্ষেত্রে আর যাই বাধা হোক, গোলের সংখ্যা বাধা হবে না বলেই মনে হয়। তিন বিদেশির বোঝাপড়া চূড়ান্ত পর্যায়ের দিকে যাচ্ছে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here