মোহনবাগান-৩(ডিকা ২, আক্রম)     নেরোকা- ২(সুবাস, চিডি)

ওয়েবডেস্ক: স্কোরলাইন- মোহনবাগান তিন, নেরোকা দুই। কিন্তু দিব্যি বলা যেত মোহনবাগান তিন, কিংশুক দেবনাথ দুই। চোট সারিয়ে দলে ফিরে কিংশুক এদিন একার দায়িত্বে দু গোল খাওয়ালেন মোহনবাগানকে। নেরোকার রক্ষণের যা অবস্থা ছিল, তাতে দুই গোলের চাপ না থাকলে এদিন হয়োতো আরও অনেক বেশি গোলেই জিততে পারত মোহনবাগান।

সনি নর্দে কলকাতা ছাড়ার পর থেকে দিপান্ডা ডিকার গোল করার গতি বেড়ে গেছে। এদিন করলেন দুটো গোল। আই লিগে তাঁর গোল সংখ্যা হয়ে গেল ১১। এবারও তাঁর সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়া মনে হচ্ছে কেবল সময়ের অপেক্ষা। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার একটু আগে একটি গোল করে মোহনবাগানকে ৩-২ গোলের লিড দিলেন আক্রম মোগ্রাবি। তার আগে দুবারই লিড নিয়েছিল নেরোকা।

পাঁচটি গোলই প্রথমার্ধে হয়ে যায়। দ্বিতীয়ার্ধে বাগানকে ভালোই চেপে ধরেছিল মণিপুরের দলটি। না জিতে তাঁদের কোনো উপায় ছিল না। কিন্তু পারল না। ফলে এবার তাঁদের আর আই লিগ জয় কার্যত অসম্ভব। কারণ তাঁদের পয়েন্ট ৩১। হাতে মাত্র ১টি ম্যাচ। ১৪টি ম্যাচ খেলে মিনের্ভা ২৯ পয়েন্টে। ১৫ ম্যাচ খেলে ইস্টবেঙ্গল ২৬। মিনের্ভা যদি শেষ ম্যাচগুলোয় খুব খারাপ পারফরম্যান্স করে, তাহলে লালহলুদের কাছে আই লিগ জয়ের সুযোগ নতুন করে এসে যেতেই পারে। তাদের অবশ্য শেষ তিনটি ম্যাচ জিততেই হবে।

দ্বিতীয়ার্ধ জুড়ে নেরোকা ঝড়ের সামনে ডিফেন্স আগলে লালহলুদকে এটুকু সুযোগ এদিন করে দিল শঙ্করলালের ছেলেরা।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here