sanjay sen

মোহনবাগান-০  নেরোকা এফসি-০

কলকাতা: শোনা যায়, এবারের মরশুম শুরুর আগে ফিজিও গার্সিয়াকে মোহনবাগানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, কলকাতা লিগে ভবানীপুর ক্লাবের দায়িত্ব নিতে আর আই লিগে মোহনবাগানের। তাতে রাজি হননি গার্সিয়া। তারপর ইস্টবেঙ্গল তাঁকে প্রস্তাব দেয়। শোনা যায়, মোহনবাগানের থেকে মাসিক মাত্র ১৫ হাজার টাকা বেশি চুক্তিতে ইস্টবেঙ্গলের ফিটনেসের দায়িত্ব নিয়েছেন গার্সিয়া।

চার্চিলকে পাঁচ গোল দেওয়ার ম্যাচের আগে থেকেই সনি বলছিলেন টার্ফে ফেলা নিয়ে তিনি চিন্তিত। কোচও বলছিলেন, তিনি চিন্তিত কিন্তু উপায় নেই। কি আশ্চর্য! সেই ম্যাচেই চোট পেয়ে গেলেন বাগানের চার গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার। তারপর নয় দিন কেটে গেছে। দু জন কবে মাঠে ফিপবেন, কেউ জানে না। বাকি দুজন মঙ্গলবার খেললেন বটে। কিন্তু গা বাঁচিয়ে। দল গোল না পাওয়ায় প্রায় পুরো ম্যাচটাই খেললেন সনি-ক্রোমা। লাভ হল না। কারণটা ফুটবলপ্রেমী মাত্রই জানেন। প্রাচীন অরণ্য প্রবাদের মতো হয়ে যাওয়া কথাটা। ‘ফুটবলে একজন আনফিট দক্ষ খেলোয়াড়ের থেকে ফিট অদক্ষ খেলোয়াড় জরুরি’। এ কথাটা নিশ্চয় সঞ্জয় সেন জানেন। জানেন মোহনবাগানের অভিজ্ঞ কর্তারাও। কিন্তু তাঁদের কিছু করার নেই। মোহনবাগানের রিজার্ভ বেঞ্চের কথা ছেড়েই দিন। এক নম্বর স্ট্রাইকার ডিকাকেও গোটা ম্যাচে খুঁজে পাওয়া গেল না। প্রথম আই লিগে সুযোগ পাওয়া নেরোকা এফসি-র বিরুদ্ধে গোল পেল না সবুজমেরুন। কেবল দুর্বল দলের বিরুদ্ধে গোল করে গোলের সংখ্যা বাড়ানোটা কোনো ভালো স্ট্রাইকারের লক্ষণ হতে পারে না।

এদিন বার দুয়েক সামনে একা গোলকিপারকে পেয়েও গোল করতে পারলেন না সনি-ডিকারা। শেষে সনি মাঠ থেকে স্ট্রেচারে বেরোলেন। নতুন করে সমস্যা না হলেই ভালো। উল্টোদিকে ম্যাচের সেরা হলেন কিংসলের বদলে মাঠে নামা পানা ঘরামি। এর থেকেই বোঝা যায়, মোহনবাগান ম্যাচটা হারতেও পারত। কিংসলে মাঠে ফিরলে কিংশুককে না বসাতে হয় সঞ্জয় সেনকে।

 

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here