মোহনবাগান-১(হেনরি)        পিয়ারলেস-১(ক্রোমা)

কলকাতা: মোহনহবাগান কোচ শঙ্করলাল চক্রবর্তী যে ভয়টা পেয়েছিলেন, সেটাই হল। জোড়া বিদেশি আর কোচ বিশ্বজিত ভট্টাচার্যের অভিজ্ঞতা দিয়ে পিয়ারলেস আটকে দিল মোহনবাগানকে।

ম্যাচে কিন্তু মোহনবাগান ভালই খেলেছে। আক্রমণ করেছে, দুই বিদেশি স্ট্রাইকার হেনরি ও ডিকা গোলের জন্য ঝাঁপিয়েছেনও বিস্তর। কিন্তু পিয়ারলেসের স্টপার অ্যান্থনি উলফ তার পঞ্জাবি সঙ্গীকে নিয়ে প্রায় গোটা ম্যাচটাই আটকে দিয়েছিলেন সবুজমেরুনকে। ৭১ মিনিটের মাথায় ওই একবারই দুই ডিফেন্ডার এক লাইনে চলে আসেন, তখনই অভিষেক আম্বেকরের বাঁ দিকে থেকে আসা সেন্টারে মাথা ছুঁইয়ে দলকে এগিয়ে দেন হেনরি।

৮৮ মিনিটের মাথায় গোল করার সোনার সুযোগ নিজেই তৈরি করে নেন আজহারউদ্দিন। গোলরক্ষককে পরাস্ত করেও তিনি বল সাইড নেটে মারেন আজহার। এই আফশোস তাঁর দূর হওয়া কঠিন।

এরপর ম্যাচের সংযোজিত সময়ে, ৯১ মিনিটে আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। থ্রো থেকে ডিফেন্সের জটলার মধ্যে বল পেয়ে মাথা ঠান্ডা বল গোলে রাখেন আনসুমানা ক্রোমা। গত মরশুমে এই সময় বাগানের হয়ে গোল করার দায়িত্ব তাঁর উপরই ছিল। তাঁর নামা করেই চিৎকার করতেন সমর্থ্করা। সে কথা মনে রেখেই বোঝহয় উৎসব করলেন না এই বিদেশি। কিন্তু কলকাতা লিগ জমিয়ে দিলেন।

লালহলুদ, সাদাকালোর পর এবার পয়েন্ট নষ্ট করল মোহনবাগানও।

 

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন