mb1-final

মোহনবাগান – ২ ( তীর্থঙ্কর, পিন্টু মাহাতো)                    মহামেডান – ১ (আদজাহ)

ওয়েবডেস্ক: অপরাজিত থেকেই কলকাতা লিগ শেষ করল মোহনবাগান। এই নিয়ে মোট ত্রয়োদশ বার। লিগের শেষ ম্যাচে মিনি ডার্বিতে তারা পিছিয়ে পড়েও হারাল মহামেডানকে। চ্যাম্পিয়ন ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছিল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। ফলে আই লিগের আগে এই ম্যাচে জয় পেয়ে নিজেদের মনোবল আরও বাড়িয়ে নিতে চেয়েছিল তারা।

অবশ্য প্রথমার্ধে আক্রমণাত্মক শুরু করলেও বিপদ তৈরি করতে ব্যর্থ মোহনবাগান। এ দিন আপফ্রন্টে শুরুতে অনেকটাই একা লাগল ১০ গোলের মালিক ডিপ্নাডা ডিকাকে। সতীর্থ হেনরি না থাকায় অনেকটাই একা হয়ে গেলেন তিনি। তবে মোহনবাগানের আক্রমণে রেশ থাকলেও, অ্যাটাকিং থার্ডে এসে সব আটকে যায়। যার কারণ পাসিং এবং সমন্বয়ের অভাব। সুযোগ পেয়েছিলেন মহামেডানের এমেকা। কিন্তু বিপদ হয়নি। প্রথমার্ধের শেষদিকে কিছুটা আক্রমণে ফেরার চেষ্টা চালায় সাদা-কালো বাহিনী। তবে বিরতিতে গোলশূন্য।

দ্বিতীয়ার্ধে শুরুতে অবশ্য কিছুটা ছন্নছাড়া দু’দলই। তবে দু’দলই ধীরে ধীরে আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করে। মাঝমাঠকে আরও সক্রিয় করার জন্য মোহন-কোচ শঙ্করলাল চক্রবর্তী মাঠে নামান অবিনাশ রুইদাস এবং বিদেশি কিনোয়াকিকে। একই সঙ্গে বঙ্গতনয় তীর্থঙ্করকেও। যার ফলে ম্যাচে ফিরে আসে মোহনবাগান। অন্যদিকে নিজেদের আক্রমণে জোর দেওয়ার জন্য মহামেডান কোচ রঘু নন্দী মাঠে নামান বিদেশি আদজাহকে। গত দু’ম্যাচে গোল পেয়েছিলন আদজাহ। এ ম্যাচেও ৭৩ মিনিটে দলকে এগিয়ে দেন তিনি। ডান পায়ে ইনসুইংয়ে দুরন্ত গোল। তবে পিছিয়ে থেকেও ম্যাচে ফেরার চেষ্টা চালায় মোহনবাগান। দশ মিনিটের মধ্যে ফ্রিকিক থেকে মোহনবাগানের হয়ে সমতা ফেরান পরিবর্ত তীর্থঙ্কর। সমতা ফিরিয়ে চাপ বাড়াতে থাকে তারা। যার ফল ৮৯ মিনিটে পিন্টু মাহাতর দুরন্ত গোল। ডিকার পাসে বাঁ পায়ে দুর্দান্ত শট।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন