কলকাতা: ‘কাল ছিল ডাল খালি, আজ ফুলে যায় ভরে/বল দেখি তুই মালি, হল সে কেমন করে?’ রবিবারের এই লাইন দুটো অনায়াসে বলে দেওয়া যায় বৃহস্পতিবারের সবুজমেরুন অনুশীলন দেখে। বুধবার দেখে মনে হচ্ছিল, দলটা যেন ডার্বির আগে ঝিমিয়ে রয়েছে। খাতায়কলমে ইস্টবেঙ্গল যে এগিয়ে, তা মানছে সকলেই, তার ওপর মানসিক ভাবে দলটা ঝিমিয়ে পড়ায় অশনি সংকেত দেখছিলেন ক্লাবকর্তারা। পরিস্থিতি সামাল দিতে এদিন অনুশীলনে নিয়ে আসা হয় মনোবিদ নীলাঞ্জন বসুকে। তাঁর সঙ্গে সময় কাটানোর পরই চনমনে গোটা দল। চুটিয়ে অনুশীলনে বাড়তি সক্রিয় কোচ সঞ্জয় সেন। গোটা দলের বডি ল্যাঙ্গোয়েজে পরিষ্কার, ইস্টবেঙ্গল যে এগিয়ে, তা মানতে চাইছেন না কেউ।

অন্যদিকে বাগানের বিদেশি সমস্যারও আপাতত সমাধান হয়ে গেল এদিন। ইয়ুটা কিনোয়াকি ফিট, বড়ো ম্যাচে খেলবেন। তাতে বাগানের রক্ষণের সমস্যা কিছুটা মিটবে বলেই আশা টিম ম্যানেজমেন্টের। ক্ষতিপূরণের ভয়েই হয়তো, এদিন রেজিস্ট্রেশন করিয়ে নেওয়া হল দিয়েগোকেও। পাশাপাশি, যা খবর, ডার্বিতে খেলবেন আজহারউদ্দিন।

ইস্টবেঙ্গলের খেলা দেখতে গিয়েছিলেন ক্রোমা। তিনি কোচকে জানিয়েছেন, ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণ অভিজ্ঞ হলেও সনি-ডিকা-ক্রোমার গতি দিয়ে ওই ডিফেন্সকে ভাঙা সম্ভব। বস্তুত, ক্রোমার ইনপুট অনুযায়ীই এদিন অনুশীলন করল মোহনবাগান। সব মিলিয়ে এদিনের বাগানকে দেখে আশায় বুক বাঁধতেই পারেন সবুজমেরুন সমর্থকরা।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here