কলকাতা: আইএসএল নিয়ে ইস্টবেঙ্গলের তৎপরতার মাঝেই নানা ঘটনা ঘটছে মোহনবাগানে। ১৬ জুলাই ক্লাবের কর্মসমিতির বৈঠক হবে বাইপাসের ধারে এক ক্লাবকর্তার হোটেলে। তারপর নৈশভোজও হবে বলে জানা গেছে। কয়েকদিন আগেই ইস্টবেঙ্গল তাঁদের ইনভেস্টরের সঙ্গে চুক্তি ও সাংবাদিক বৈঠক করেছিল পার্ক হোটেলে। তারপর মোহনবাগানের এই সিদ্ধান্তে ময়দানে চমক। তাহলে কি সেদিনই এই মরশুমের স্পনসর ঘোষণা হয়ে যাবে। কোনো কর্তা এই বিষয়ে মুখ না খুললেও খবর তেমনই। তবে ইস্টবেঙ্গলের মতো কোনো ইনভেস্টর আনছে না বাগান।

এর মধ্যেই চলছে শাসক ও বিরোধী গোষ্ঠীর আইনি লড়াই। বিচারপতি শেখর ববি শরাফের এজলাসে চলছে সেই মামলা। আদালত থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে সেপ্টেম্বরে নির্বাচন করতে। দুই পক্ষের উকিলকে বলা হয়েছে পাঁচ প্রাক্তন বিচারপতির নাম জমা দিতে। তাঁদের মধ্যে তিনজনকে নির্বাচনের পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করবে আদালত। এই ব্যাপারে বৃহস্পতিবারই চূড়ান্ত নির্দেশ জানা যাবে। শাসক গোষ্ঠীর নির্বাচনে কোনো আপত্তি না থাকলেও, শোনা যাচ্ছে নির্বাচন পিছিয়ে ডিসেম্বরে নিয়ে যাতে চান তাঁরা। এর মধ্যে বার্ষিক সাধারণ সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ক্লাবের কোম্পানিকে প্রাইভেট লিমিটেড থেকে পাবলিক লিমিটেড করার কাজ হয়ে যাবে।

সবেচেয়ে বড়ো কথা, শাসক ও বিরোধী গোষ্ঠীর মধ্যে বোঝাপড়ার চেষ্টাও চলছে জোর কদমে। যা পরিস্থিতি, তাতে টুটু-অঞ্জনের বোঝাপড়া হয়ে যাওয়ার ছবি মোহনবাগান দিবসেই দেখা যেতে পারে। তবে সেই বোঝাপড়ায় কোনো ভাবেই জায়গা হবে না দেবাশিস দত্ত। অঞ্জন দত্ত শিবির দেবাশিসের ব্যাপারে অনড়। এই অবস্থায় আদালতের নির্দেশ পছন্দ না হলে সুপ্রিম কোর্টেও যাওয়ার কথা ভেবে রেখেছেন দেবাশিস। কিন্তু এ ব্যাপারে এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে দুই গোষ্ঠীর বোঝাপড়ার সম্ভাবনা ব্যাপক। তেমন হলে ক্লাবে শেষ অবধি নির্বাচনের বদলে সিলেকশনও হতে পারে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here