mohunbagan

মোহনবাগান – ১              পাঠচক্র – ০

ওয়েবডেস্ক: শ্রাবণধারাকে সঙ্গী করে জয় দিয়ে কলকাতা লিগ শুরু করল মোহনবাগান। মরশুমের প্রথম ম্যাচে সব দলই একটু চাপে থাকে। এক্ষেত্রেও তাই। অবশ্যই কিছুটা বোঝাপড়ার অভাব। ঘরের মাঠে প্রথম থেকেই একটা গতিকে সম্বল করে এগোতে থাকে হোম টিম। সঙ্গে কিছুটা পাসিং ফুটবল। সবই ছিল শুধু ফিনিশিং ছাড়া। কিন্তু যাই হোক শেষমেশ দ্বিতীয়ার্ধ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হল কাঙ্খিত গোলের জন্য। সৌজন্যে হেনরি। এদিনই দলের হয়ে প্রথম ম্যাচে নেমেছিলেন গতবার আইলিগের অন্যতম সেরা এই স্ট্রাইকার। তাঁর আজকের খেলা দেখার পর স্বপ্ন দেখতেই পারেন মোহন সমর্থকরা।

প্রথমার্ধে সতেরো মিনিটে ম্যাচের ও নিজের প্রথম সুযোগ পান উগান্ডার হেনরি। কিন্তু তাঁর শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। সুযোগ পেয়েছিলেন বসন্ত সিংও। কিন্তু মাঝমাঠ থেকে তাঁর শট তেমন বিপদ তৈরি করতে পারেনি। প্রায় তিরিশ মিনিটের মধ্যে প্রথমার্ধের সবচেয়ে সহজ সুযোগ পেয়েছিকেন পাঠচক্রের দীপঙ্কর। কিন্তু তাঁর ফ্রি-হেডার বাইরে। বিরতিতে যাওয়ার আগে মোহনবাগানকে লিড দিতেই পারতেন পিন্টু মাহাতো। কিন্তু সিটার কার্যকর করতে তিনি সক্ষম হননি।

দ্বিতীয়ার্ধে শুরু থেকেই আক্রমণে লোক বাড়ায় শঙ্করলালের ছেলেরা। ফের সুযোগ পেয়েছিলেন পিন্টু। এবারও ব্যর্থ তিনি। এদিন পাঠচক্রের বিদেশি স্ট্রাইকাররা ব্যর্থ হলেও, নজর কাড়লেন বঙ্গ তনয় দীপঙ্কর। তাঁর বিপজ্জনক হেডার বাঁচান মোহন গোলকিপার শিল্টন পাল। ক্রমাগত চাপ বাড়াতে থাকে সবুজ-মেরুন বাহিনী। যার ফল ৭৬ মিনিটে হেনরির গোল। তীর্থঙ্করের কর্নার থেকে সুযোগ সন্ধানী গোলে পালতোলা নৌকায় বাতাস বয়ে আনেন এই বিদেশি। তবে এক গোল যে কখনই নিরাপদ নয় তা ফের প্রমাণিত হত আজকের ম্যাচে, যদি না নির্ধারিত সময়ের শেষ মুহূর্তে দিনের সবচেয়ে সুযোগ হাতছাড়া করেন নতুন আসা সন্দীপ। গোলকিপারকে একা পেয়েও বাইরে শট মারেন তিনি।

ফলে প্রথম ম্যাচে জিতে আগামী ম্যাচের আগে মানসিক ভাবে এগিয়ে থাকল মোহনবাগান।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন