কলকাতা: মোটামুটি সব ঠিক হয়েই ছি্ল। শুধু বাকি ছিল সম্প্রচার সংস্থার ‘হ্যাঁ’ বলা। এসে গেল সেই অনুমতিও। আগামী ২৯ তারিখ মোহনবাগান বনাম ইন্ডিয়ান অ্যারোজ ম্যাচ যুবভারতী কিংবা বারাসতের বদলে অনুষ্ঠিত হবে মোহনবাগান মাঠে। এই প্রথম আই লিগের কোনো ম্যাচ কলকাতা ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে।

এবার মরশুম শুরুর আগে আই লিগের ম্যাচ নিজেদের মাঠে করানোর উদ্যোগ নিয়েছিলেন বাগান কর্তারা। কিন্তু আই লিগের ম্যাচ আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো এত কম সময়ে তৈরির সমস্যা ছিল। অন্য সব ব্যবস্থা করা সম্ভব হলেও সম্প্রচার সংস্থার জন্য পরিকাঠামো তৈরি সম্ভব ছিল না। তাই বিষয়টা আগামী মরশুমের জন্যই ছেড়ে রাখা হয়েছিল। ইতিমধ্যে বাগানের ক্লাব তাঁবু ঢেলে সাজা হত।

কিন্তু সমস্যা হয় অন্য। যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন আইএসএল-এর জন্য সব ম্য়াচে পাওয়া যাচ্ছে না। সেখানে ম্যাচ আয়োজন করতে ম্যাচপিছু সাত-আট লক্ষ টাকা খরচ হয়ে যাচ্ছে। সমর্থকরা খুব বেশি মাঠে যাচ্ছেন না। কারণ আই লিগের খেলা দেওয়া হয়েছে দুপুর দুটো ও বিকেল সাড়ে পাঁচটায়। তাই খরচ উঠছে না। এদিকে বারাসতে টার্ফের মাঠে খেলে মোহনবাগান শিবির হাসপাতালে পরিণত হয়েছে। আবার খেলা হলে ফের চোট পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এই মরশুমেই হোম ম্যাচগুলি নিজেদের মাঠে করার জন্য উদ্যোগ নেন বাগান-কর্তারা। ফেডারেশনের দিক থেকে সমস্যা না থাকলেও সম্প্রচার সংস্থা স্টার ইন্ডিয়ার অনুমতির জন্য ঝুলেছিল বিষয়টি। আর সে সমস্যা নেই।

এদিকে মোহনবাগান মাঠে আই লিগের খেলা হলে, সেখানে নিজেদের হোম ম্যাচ আয়োজন করতে উৎসাহী ইস্টবেঙ্গল। তাতে বাগান কর্তাদের কোনো আপত্তি নেই। সেক্ষেত্রে প্রায় তিন দশক পর মোহনবাগান মাঠে খেলবে চির প্রতিদ্বন্দ্বী দল।

২৯ তারিখ ম্যাচের জন্য বুধবার পূর্ত দফতরের পক্ষ থেকে মাঠ পরিদর্শন করা হয়। তাদের পরামর্শ অনুযায়ী এখন জোরদার প্রস্তুতি চলছে মোহনবাগান মাঠে।

▪ মাঠে নতুন কিছু আলো লাগানো হচ্ছে।

▪ অস্থায়ী অপরিষ্কার গ্যালারিগুলোকে ব্যবহার উপযোগী করে তোলা হচ্ছে।

▪ আগাছা পরিষ্কার এর কাজ শুরু হয়েছে।

▪ র‍্যাম্পাট পরিষ্কার করা হচ্ছে।

▪সিসিএফসি-র রুমকে বিরোধী দলের ড্রেসিংরুম হিসাবে ব্যবহারের উপযোগী করা হচ্ছে।

▪ ক্লাবের পরিকল্পিত নতুন জিমের ঘরটিকে রেফারি ও ম্যাচ কমিশনারের ব্যবহারের উপযোগী করে তোলা হচ্ছে।

▪ মাঠে নতুন ঘাস লাগানো হচ্ছে। আপাতত সেখানে অনুশীলন হচ্ছে না।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here