mb-final

ওয়েবডেস্ক: আট বছর হয়ে গেল কলকাতা লিগ ঘরে তুলতে পারেনি মোহনবাগান। চলতি মরশুমে সেই খরা কাটাতে মরিয়া গঙ্গাপারের ক্লাবটি। সেই লক্ষ্যে তাদের এখন নজর রবিবারের ডার্বির দিকে। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীকে হারিয়ে নিজেদেরকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে তৈরি তারা। বর্তমানে শাসক-বিরোধী রাজনীতিতে সরগরম সবুজমেরুন তাঁবু। তবে ডার্বির আগে কিন্তু পুরো চিত্রটাই আলাদা। এদিনের অনুশীলনে মাঠে উপস্থিত ছিলেন বিরোধী গোষ্ঠীর সৃঞ্জয় বসু এবং দেবাশিস দত্ত। ছিলেন সচিব অঞ্জন মিত্রও। অঞ্জনের সঙ্গে হাতও মেলালেন দেবাশিস।

ম্যাচ প্রসঙ্গে কোচ শঙ্করলাল চক্রবর্তী বলছেন, “ওদের দলে আমনা রয়েছে। সঙ্গে বিশ্বকাপার অ্যাকোস্তাও এই ম্যাচে দলে থাকবেন। স্ট্রাইকাররা হয়তো গোল পাচ্ছেন না। কিন্তু পিছন থেকে খেলোয়াড়রা এসে গোল করে যাচ্ছে। যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ফলে সবদিক থেকেই ইস্টবেঙ্গল আমাদের থেকে এগিয়ে। আগেরবার ওদের কোচ ছিলেন খালিদ। ওর ডার্বির অভিজ্ঞতা ছিল না। কিন্তু সুভাষদা অনেক এগিয়ে। প্রচুর ডার্বি খেলেছেন এবং কোচিংও করিয়েছেন। সেদিক থেকেও অ্যাডভান্টেজ রয়েছে ওদের।”

শেষ প্র্যাকটিসে মোহনবাগান অনেকটাই চার্জড। দলে পরিবর্তন তেমন কিছু নেই। সম্ভবত শুরু থেকেই খেলবেন মেহতাব হোসেন। আমনাকে ব্লকিংয়ের জন্য। অন্তত এদিনের অনুশীলন দেখে তেমনটাই মনে হল। এ ছাড়া পিন্টু মাহাত বা আজহারুদ্দিনের মধ্যে কে খেলবেন তা কোচই ঠিক করবেন। রক্ষণে গুরজিন্দরের জায়গায় ফিরছেন কিমকিমা। তবে আরও কিছু চমক থাকবে। যা খোলসা করলেন না মোহনবাগান কোচ।

কোচের সঙ্গে কথায় উঠে এল গত কলকাতা লিগের ডার্বির প্রসঙ্গ। ম্যাচের শেষ পর্ব পর্যন্ত এগিয়ে থাকার পর পেনাল্টিতে গোল শোধ করে ম্যাচ ২-২ করেছিল লালহলুদ। শেষের দিকে গোলের প্রচুর সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি বাগান। সেই ম্যাচে কোচ ছিলেন শঙ্করলাল। ভুলতে পারেননি সেই ম্যাচ। বললেন, রবিবার জিতলেই সেই ম্যাচের জ্বালা জুড়োবে।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন