tutu-srinjoy-anajan

কলকাতা: মোহনবাগানের যুযুধান দুই গোষ্ঠীর লড়াই চূড়ান্ত আকার নিল কলকাতা হাইকোর্টে। এদিন বিচারপতি শেখর ববি শরাফের এজলাসে শুনানি শুরু হওয়ার আগে দুই পক্ষের প্রতিনিধিদের নি্জের ঘরে ডেকে নেন বিচারপতি। সেখানে যান অঞ্জন-কন্যা সোহিনী ও দেবাশিস দত্ত। বিচারপতি জানিয়ে দেন নির্বাচন পরিচালনার জন্য তিন প্রাক্তন বিচারপতি সুশীল চ্যাটার্জি, দিলীপ শেঠ ও অসীম রায়। পাশাপাশি দুই পক্ষ থেকে দুজনের নাম জানাতে বলেন বিচারপতি। তারপরই শুরু হয় গোলমাল।

শাসক গোষ্ঠীর তরফ থেকে অঞ্জন মিত্র ও স্বাধীন মল্লিকের নাম প্রস্তাব করা হলেও, স্বাধীনবাবু নির্বাচিত নন, এই কারণে তাঁকে মেনে নেয়নি বিরোধী গোষ্ঠী। বিকল্প হিসেবে কাশিনাথ দে-র নামেও একই কারণে আপত্তি জানায় তাঁরা। অন্যদিকে বিরোধী গোষ্ঠীর তরফে সৃঞ্জয় বসু ও দেবাশিস দ্ত্তর নাম প্রস্তাব করা হলে, দেবাশিসবাবুর নামেও আপত্তি জানান সোহিনী। পরবর্তীতে সৃঞ্জয় বসুকে মেনে নেওয়া নিয়ে শাসক গোষ্ঠীর মধ্যেও ভিন্নমত দেখা দেয়। যদিও শেষ পর্যন্ত সৃঞ্জয়বাবুকে শাসকগোষ্ঠী মেনে নিচ্ছে বলেই খবর।

কিন্তু গোলমাল বাধে অন্য জায়গায়। বিচারপতি নির্দেশ দেন, এরপর থেকে নির্বাচন হওয়া পর্যন্ত প্রতিদিনের খরচের হিসেব আদালতে জানাতে হবে। তাতে আপত্তি জানান শাসক শিবিরের আইনজীবী। তাঁর মতে, সেটা রিসিভার বসানোর সামিল।

এই পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার ফের মামলার শুনানি। এদিন বিকেল তিনটেতেই মামালার রায় ঘোষণা হয়ে যাওয়ার কথা। তবে বিচারপতি যদি হিসেবপত্র চাওয়ার ব্যাপারে অনড় থাকেন, তাহলে উচ্চ আদালতে যাবে অঞ্জন-শিবির। বস্তুত রায় পছন্ না হলে দুই পক্ষই উচ্চ আদালতে যাবে বলে স্থির করেছে।

ক্লাবের অন্দরের খবর নির্বাচন নিয়ে কোনো পক্ষের আপত্তি না থাকলেও, অঞ্জন শিবির চাইছে নির্বাচনকে সেপ্টেম্বর থেকে কয়েক মাস পিছিয়ে দিতে। অন্যদিকে বিরোধীরা চাইছেন সেপ্টেম্বরেই নির্বাচন হোক। বাগানের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কোন পথে গড়ায়, তার প্রাথমিক ধারণা মিলতে পারে বৃহস্পতিবারই।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here