মহামেডান স্পোর্টিং-০        পিয়ারলেস-১(অ্যান্থনি উলফ)

কলকাতা: লিগ টেবিলে তিন নম্বরেই থেকে গেল পিয়ারলেস।  দলরাজ, দীপঙ্কর, শাহরুখ, অ্যান্থনি উলফ, ক্রোমারা যেমন খেললেন, তাতে গোটা ম্যাচে একবারও বোঝা গেল না কারা বড়ো দল। আগের ম্যাচে পাঠচক্রকে ১০ জনে পেয়ে তিন গোল দিয়েছিল রঘু নন্দীর ছেলেরা। এদিন শক্তিশালী পিয়ারলেসকে সামনে পেয়ে আবার তাঁদের আসল চেহারা বেরিয়ে পড়ল। ম্যাচের ২০ মিনিটে গোল খেয়েও গোটা ম্যাচে সমতা ফেরাতে পারল না। রেফারি ১১ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেওয়া সত্ত্বেও।

গত মরশুমটা বড়ো দল পেয়েছিলেন। এবার আবার ছোটো দলে ক্রোমা। আই লিগে কোনো একটা দলে সুযোগ পাওয়ার জন্য় জান লড়িয়ে দিচ্ছেন। যোগ্য সঙ্গত করছেন উলফ। মাঝামাঠে অসংখ্য পাস খেলছেন শাহরুখ, দীপঙ্কররা। রক্ষণও জমাট। দলটা চমৎকার তৈরি করেছেন কোচ বিশ্বজিত ভট্টাচার্য। কয়েকবার বড়ো দলে কোচিং করিয়েও এখনও কোচ হিসেবে দুয়ো রানির ছেলে হয়ে রয়েছেন বিশ্বজিত। যদিও তিনি দুই প্রধানকে কলকাতা লিগ দিয়েছেন। পিয়ারলেসে এবার নিজেকে নতুন করে প্রমাণ করছেন তিনি।

২০ মিনিটে পিয়ারলেস যে গোলটা দিল, সেটা আসলে দীপঙ্করের। কর্নার থেকে আসা বলে বাঁ পায়ে অসাধারণ সাইড ভলি নিয়েছিলেন তিনি। বল গোলেই ঢুকছিল, শেষ মুহূর্তে মাথা ছুঁইয়ে বলের গতিপথ পালটে দেন উলফ।

এই মাহামেডান দলটায় খেলছেন দুই জন। দীপেন্দু দুয়ারি আর বাজি আর্মান্দ। আক্রমণ উঠছে বটে, কিন্তু স্ট্রাইকার প্রিন্সউইল এমেকা এতই খারাপ যে কোনো কাজে লাগছে না। তরুণ প্রতিভা সুমিত দালকে প্রতি ম্যাচে অনেকটা পরে নামাচ্ছেন রসু নন্দী। কারণটা কী? সুমিত কি শারীরিক ভাবে দুর্বল? মোটের ওপর প্রথম বার বড়ো দলে কোচিং করাতে এসে কঠিন পরীক্ষায় পরে গেছেন ময়দানে সিকি শতক কাটিয়ে দেওয়া কোচ।  দুটো ছোটো দলের বিরুদ্ধে হার, একটা ড্র। দুই প্রধানের বিরুদ্ধে কী যে করবে সাদাকালো ব্রিগেড!

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন